ব্রেকিং নিউজ :
আন্দোলন সংগ্রামে ব্যর্থ হয়ে ধর্ম ব্যবসায়ীদের মাঠে নামিয়েছে কুচক্রীমহল : আমির হোসেন আমু সরকার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ৩ কোটি ডোজ বিনামূল্যে সরবরাহ করবে নতুন তথ্য সচিব খাজা মিয়া যোগদান করেছেন শ্রীলঙ্কায় কারাগার ভাঙার প্রচেষ্টায় নিহত ৮ নতুন পিএসও-কে লে. জে. পদের ব্যাংক ব্যাজ পরানো হয়েছে ভাস্কর্যকে মূর্তির সাথে তুলনা বিভ্রান্তি-উস্কানির অপচেষ্টা মাত্র : তথ্যমন্ত্রী পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সরকার : পরিবেশ মন্ত্রী রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো এক মাস ডোপ টেস্টে মাদক প্রমাণে কুষ্টিয়ায় ৮ পুলিশ সদস্য চাকরিচ্যুত নকল মাস্ক : জেএমআই চেয়ারম্যানের জামিন বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল
  • আপডেট টাইম : 16/12/2019 12:37 PM
  • 35 বার পঠিত
বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা ॥ যুদ্ধাপরাধীদের বর্জনের দাবী

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছে লাখো জনতা। সূর্যোদয়ের পর থেকেই মানুষের ঢল নামে স্মৃতিসৌধে।সমাজের সর্বক্ষেত্রে যুদ্ধাপরাধীদের বর্জনের দাবী নিয়ে হাজির হয়েছিলেন সবাই। সেই সাথে বিন¤্র শ্রদ্ধাবনত চিত্তে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করলো পুরো জাতি। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ বিজয় উল্লাসে মেতে উঠে।
বিজয়ের ৪৯তম বার্ষিকীতে যেন বাঙালি জাতির মনে যুদ্ধাপরাধীদের সামাজিকভাবে বয়কটের দাবী ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। আজ ১৬ ডিসেম্বর দিবসের প্রথম প্রহর থেকেই বাঙালি জাতির অহংকার বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে আসেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, কূটনৈতিক, বিদেশী অতিথি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন।বিজয় দিবসের শুরুতেই ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাস উপেক্ষা করে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে ভীড় করতে থাকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশা ও বয়সের মানুষ। এ সময় তাদের হাতে ফুল, পতাকা, আর বিজয়োল্লাসের বিভিন্ন ধরনের লেখা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে শুরু হয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানকিতায় ভোর সাড়ে ৬টা ৩৪ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পনের পর কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুন সুর।শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব আনার প্রদান করেন সেনবাহিনীর একটি চৌকস দল।এরপর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে আবারও শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জানানোর পর জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী এবং সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া। এর পরপরই খুলে দেওয়া হয় স্মৃতিসৌধের মূল ফটক।
এ সময় বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। ফুলেল শ্রদ্ধায় বিজয়ের উচ্ছাসে উচ্ছসিত সূর্যের মতোই আলোকিত করে জাতির সূর্য সন্তানদের।একে একে শ্রদ্ধা জানান কূটনৈতিকবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, সেক্টর কমান্ডার ফোরাম, জাতীয় পার্টি, বিএনপি, জাসদ, জাকের পার্টি, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন, কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন দুগ্ধ খামার, বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর বিভিন্ন হল সমূহ, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলসমূহ, জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়, সিআরপি, পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাংবাদিক ফোরাম, ন্যাপ, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন, সাম্যবাদী দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এসময় জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।স্মৃতিসৌধ এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্মৃতিসৌধ ও এর আশেপাশের পুরো এলাকা সর্বোচ্চ নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহ¯্রাধিক সদস্যের সমন্বয়ে কয়েক স্তরের বলয় তৈরী করা হয় পুরো এলাকা জুড়ে। পুরো এলাকাকে অর্ধশত সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়। তল্লাশী চৌকী ছাড়াও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাড়ানো হয় নজরদারী। শান্তিপূর্ণভাবেই স্মৃতিসৌধে অভ্যাগতরা তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শহীদ বেদীতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...