ব্রেকিং নিউজ :
অনুমোদন পেল ফাইজার ও বায়োএনটেক উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের টিকা, বিশ্বজুড়ে স্বস্তি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা সংসদীয় সম্পর্ক উন্নয়নে একত্রে কাজ করবে বাংলাদেশ ও স্পেন : স্পিকার আঙ্কারায় স্থাপিত হবে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য : তথ্যমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদন্ড সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার বিচার শুরু বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে কমসূচি প্রণয়ন সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত ২,১৯৮,মারা গেছেন ৩৮ জন আইইবিএ’র উদ্যোগে রাজধানীতে মাস্ক বিতরণ বিএনপি সুবিধাবাদ-জিন্দাবাদে বিশ্বাসী : সেতু মন্ত্রী
  • আপডেট টাইম : 30/04/2020 05:42 PM
  • 53 বার পঠিত

কোভিড-১৯ মহামারীর প্রভাবে সৃষ্ট বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব কাটিয়ে উঠতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অগ্রাধিকারযোগ্য বাজারে প্রবেশাধিকার এবং বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট আর্ল মিলারের সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি এবং সহযোগীতা নিয়ে ফোনে আলাপচারিতায় আজ এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য তিনি রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান।
প্রকল্প সহায়তা, খাদ্য সহায়তা এবং পণ্য সহায়তা হিসাবে এযাবৎ ৪.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তার জন্য এবং কোভিড -১৯ প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়ামূলক কর্মসুচীতে ৩.৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরুরী সহায়তার জন্যও তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষ ও অর্থনীতির জন্য ১১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন, যা জিডিপি’র ৩.৫ শতাংশ। এই প্যাকেজের অর্থ ব্যয়ে জনসাধারণের ব্যয় বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা জালকে প্রশস্ত করা এবং আর্থিক সরবরাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রে জোর দেয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প, পরিষেবা খাত এবং কুটির শিল্পগুলিকে সুরক্ষার জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্যনির্বাহী মূলধনের বিধান অর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট আর্ল মিলার বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।
রবার্ট আর্ল মিলার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ঘোষিত সময়োপযোগী আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। যুক্তরাষ্ট্র এই সংকট মোকাবেলায় সহযোগীতা নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজের উপর কোভিড-১৯ এর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা জোরদার, স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ করে স্বাস্থ্য পরিষেবা, সক্ষমতা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে সমর্থন বাড়ানোর অনুরোধ করেন। পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা নেট প্রোগ্রাম প্রশস্তকরনে সমর্থন দেয়া, উন্নয়নের উপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে সক্ষম কৃষি যান্ত্রিকীকরণের অর্থায়নে সহায়তা; স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দুর্যোগ ও মানবিক সহায়তা কর্মসূচির জন্য স্বল্প সুদে ঋণ সহায়তারও অনুরোধ করেন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্বাস্থ্য ও কৃষিখাতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। রাষ্ট্রদূত মিলার ইউএস এক্সিম ব্যাংকের নতুন পন্য সম্পর্কে অবহিত করেন। এক বছরের জন্য প্রদত্ত এ সুবিধার আওতায় রয়েছে- সরাসরি ঋণ বা ঋণ গ্যারান্টি, সাপ্লাই চেইন অর্থায়ন গ্যারান্টি, কার্যনির্বাহী মূলধন গ্যারান্টি এবং প্রি ডেলিভারী/প্রি এক্সর্পোট অর্থায়ন সুবিধা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...