ব্রেকিং নিউজ :
আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে কর্মসূচি দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ১০ জনের মৃত্যু কমনওয়েলথে অনুপ্রেরণাদায়ী শীর্ষ ৩ মহিলা নেতার অন্যতম শেখ হাসিনা বিএনপি’র ৭ মার্চ পালনের ঘোষণা রাজনৈতিক ভন্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয় : ওবায়দুল কাদের বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র বাঙালিতে রূপান্তরিত হয়েছিল : তথ্যমন্ত্রী এটি বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো বছর : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর উক্তি ও ছবি সম্বলিত ই-পোস্টার প্রকাশ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে : আমির হোসেন আমু এমপি পরিবেশ সুরক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানালেন শাহাব উদ্দিন
  • আপডেট টাইম : 22/02/2021 08:05 PM
  • 12 বার পঠিত

এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেছেন, শিশু রাকিবকে হত্যার দায়ে আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড আপিল বিভাগেও বহাল রাখার রায় অপরাধীদের জন্য একটি বার্তা।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ বেঞ্চ আসামিদের আপিল খারিজ করে আজ এ রায় দেয়। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় এটর্নি জেনারেল এ কথা বলেন। তিনি বলেন, শিশু নির্যাতন ও হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তারা নরপিশাচ। যাদের কারণে এ ধরণের জগণ্যতম ঘৃণ্য হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে আজকের রায় তাদের জন্যে একটি বার্তা। যারা এ ধরণের অপরাধ করবে তাদের জন্য শাস্তি অনিবার্য। এটর্নি জেনারেল আরও বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে দু’টো বিষয় প্রতিষ্ঠিত হলো একটা হচ্ছে অপরাধের শাস্তি দেয়া, অপরটি বার্তা পৌঁছে দেয়া।
খুলনার শিশু রাকিব হত্যা মামলার আসামি ওমর শরীফ ও মিন্টুকে হাইকোর্টের দেয়া যাবজ্জীবন কারাদন্ড বহাল রেখে আজ রায় দিয়েছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।
২০১৫ সালের ৩ আগস্ট খুলনার টুটুপাড়া কবরখানা মোড়ে শরীফ মোটরস নামের এক গ্যারেজে চাকায় হাওয়া দেয়ার কমপ্রেশার মেশিনের মাধ্যমে মলদ্বারে হাওয়া ঢুকিয়ে হত্যা করা হয় শিশু রাকিবকে। ঘটানার পরদিন রাকিবের বাবা মো. নুরুল আলম বাদী হয়ে শরীফ, মিন্টু ও শরীফের মা বিউটি বেগমের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।
ওই ঘটনার মামলা হওয়ার ৯৬ দিন পর বিচার প্রক্রিয়া শেষে একই বছরের ৮ নভেম্বর রায় দেয় খুলনার আদালত। ওই রায়ে এই মামলার আসামি শরীফ মোটরসের মালিক ওমর শরীফ ও তার সহযোগী মিন্টুকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। এরপর রায়সহ মামলার নথি ওই বছরের ১০ নভেম্বর হাইকোর্টে আসে এবং ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নথিভুক্ত হয়। সেই সঙ্গে দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...