ব্রেকিং নিউজ :
একনেক বৈঠকে ১০ হাজার ৭শ’ কোটি টাকা ব্যয়সম্বলিত ৭টি প্রকল্প অনুমোদন করোনা নিয়ন্ত্রণে সাংহাইয়ে শত শত ফ্লাইট বাতিল বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ডিজিটাল সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে : বাণিজ্যমন্ত্রী আইসিটি সেক্টরে একযোগে কাজ করবে বাংলাদেশ ও ভারত : আইসিটি প্রতিমন্ত্রী অন্তর্ভুক্তিমূলক জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে হবে : ফরহাদ হোসেন শপথ নিলেন নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান ডিএনসিসি মেয়রের সাথে ভারতের রাষ্ট্রদূতের ভার্চুয়াল বৈঠক বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুনীরুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন বঙ্গবন্ধু টি-টুয়েন্টি: মেহেদির অলরাউন্ড নৈপুণ্যে দুর্দান্ত জয়ে শুরু রাজশাহীর জাতির পিতাকে জানতে তরুণদের বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন পরিদর্শনের আহবান ডেপুটি স্পিকারের
  • আপডেট টাইম : 01/01/1970 06:07 PM
  • 77 বার পঠিত

ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয় বা বন্ধ করে দেয়। ব্যাকটেরিয়া দিয়ে সংক্রমিত হলে চিকিৎসকরা আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেন। তবে কিছু প্রাকৃতিক উপাদানও রয়েছে, যেগুলো অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। এই ভেষজ উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এসব প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর কথা।

১. হলুদ

হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এগুলো ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধেও কাজ করে।

২. আদা

আদা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ  প্রতিরোধ করে। শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধে আদা খুব ভালো ঘরোয়া উপাদান।

৩. নিম

নিমের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এটি ব্রণ তৈরির ব্যাকটেরিয়াগুলোর সঙ্গে লড়াই করে, মুখগহ্বরের সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে, ক্ষয় ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করে।

৪. মধু

মধুও আরেকটি চমৎকার অ্যান্টিবায়োটিক। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হওয়াকে ব্যাহত করে।

৫. জলপাইয়ের তেল

জলপাইয়ের তেলও ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান। এগুলো ত্বকের সংক্রমণ কমায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...