ব্রেকিং নিউজ :
শাহ আমানতে বিমান থেকে সাড়ে ১৭ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার শিশু রাকিবকে হত্যার অপরাধের শাস্তি একটি বার্তা : এটর্নি জেনারেল দেশে এ পর্যন্ত ২৩ লক্ষাধিক মানুষ করোনা টিকা নিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের (পাপুল) সদস্য পদ বাতিল শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার বিষয় পর্যালোচনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী দ্রুততম সময়ে করোনার টিকার ব্যবস্থা করেছেন : হুইপ ইকবালুর রহিম সড়ক দুর্ঘটনায় নাটোরে পুলিশ সদস্য ও বগুড়ায় ব্যাংকের ম্যানেজার নিহত যশোর পৌর নির্বাচন ২৮ ফেব্রুয়ারি হবে না : সিইসি দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে ২৪ মে : শিক্ষামন্ত্রী দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা গেছে ৭ জন, সুস্থ ৬৯২ জন
  • আপডেট টাইম : 01/01/1970 05:41 AM
  • 132 বার পঠিত

সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে বরিশালে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে চলছে নানা সমীকরণ। বিগত দিনের ভোটের হিসাব কষে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও ভোট সুষ্ঠু হবে কি না, সেটা নিয়েই তারা শঙ্কিত। আর সরকারের উন্নয়ন ও নতুন ভোটারদের সমর্থন—দুয়ে মিলে জয়ের ব্যাপারে প্রত্যয়ী আওয়ামী লীগ। তবে এখন পর্যন্ত ভোটাররা কেন যেন নিশ্চুপ, ভোট নিয়ে আগ্রহ-উদ্দীপনা কম।

বরিশাল সিটি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ ৩০ জুলাই। নির্বাচনপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ নেতারা বলে আসছেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারাও বরিশালে এসে এমন আশ্বাস দিয়েছেন।

শহরের একজন অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক বলেন, আওয়ামী লীগ-বিএনপি থেকে এবার প্রভাবশালী দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একদিকে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, অন্যদিকে মজিবর রহমান সরোয়ার। সাদিক সাংসদ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে। আর সরোয়ার আগে মেয়র ও সাংসদ ছিলেন। বরিশালের রাজনীতিতে তিনি বেশ প্রভাবশালী। তাই ভোটাররা কাকে বেছে নেবেন, সেই সিদ্ধান্তহীনতায় আছেন।

একজন আইনজীবী বলেন, বিগত কয়েকটি নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। ভোটাররা কোনোভাবেই সুষ্ঠু, স্বাভাবিক নির্বাচনের বিষয়ে আস্থা রাখতে পারছেন না। এ জন্য ভোট নিয়ে আগ্রহ কম। এখন ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনাই রাজনৈতিক দলগুলোর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

খুলনা ও গাজীপুরের অভিজ্ঞতার পর বরিশালে বিএনপি কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে, জানতে চাইলে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দীন সিকদার বলেন, ‘নির্বাচনের পর এই সরকারের মেয়াদ থাকবে দুই থেকে সোয়া দুই মাস। বড় কথা হলো, মানুষ সব বুঝে গেছে। তারপরও আমরা ভোটারদের সচেতন করছি তাঁরা যাতে ভোটকেন্দ্র যান। আর আমাদের নেতা-কর্মীরা জীবন বাজি রেখে কেন্দ্রে থাকবেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...