ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৭-১৩
  • ৩৪২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ শুরু করেছেন সেনা সদস্যরা

নিউজ ডেস্ক:- ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ শুরু করেছেন সেনা সদস্যরা।
শনিবার ভোর থেকে নগরীর বিভিন্ন সড়কে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রামে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সেনাবাহিনীর ৪০জন সদস্য ৪টি টিমে ভাগ হয়ে কাজ শুরু করেছেন।
এরমধ্যে নগরীর প্রবর্তক মোড়-কাপাসগোলাতে ১টি, জিইসি-দু’নম্বর গেট এলাকায় ১টি এবং মুরাদপুর ও বহদ্দারহাটে ১টি করে টিম কাজ করছে।
এরআগে মেগা প্রকল্পের কাজের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী নগরের বেশ কয়েকটি খাল ও ড্রেন পরিষ্কার করে। সেই সঙ্গে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও (চউক) অবৈধ খাল সংস্কারে উচ্ছেদ অভিযান চালায়।
চউকের প্রকৌশলী ও প্রকল্পের পরিচালক আহমেদ মাঈনুদ্দীন বলেন, বৃষ্টি বেশি হওয়ায় শহরের অনেক এলাকায় পানি উঠে গেছে। এসব এলাকাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করে কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল শাহ আলী বলেন, বৃষ্টি শুরুর পর থেকে ৪০ জন সদস্য চারটি টিমে ভাগ হয়ে কাজ করছে। তারা দ্রুত পানি সরানোর পাশাপাশি পরবর্তীতে কীভাবে কাজ করতে হবে এসব বিষয় দেখছে। ইতোমধ্যে এসব পয়েন্টে জলাবদ্ধতার কারণ চিহ্নিত হয়েছে। পানি নেমে গেলে সে অনুযায়ী কাজ শুরু হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সিডিএ’র সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এরপর সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর খালের উভয় পাশে রিটেইনিং ওয়াল, রাস্তা নির্মাণ ও নিচু ব্রিজগুলো ভেঙে উঁচু করার কাজ শুরু করে। পাশাপাশি খাল থেকে ময়লা পরিষ্কার কার্যক্রমও শুরু হয়।
ডিপিপি অনুযায়ী গৃহীত এ মেগা প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে প্রাথমিক পর্যায়ে ২০১৮ সালে ৩৬ খালের মাটি অপসারণসহ ৩০০ কিলোমিটার নতুন ড্রেন নির্মাণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat