ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৭-২৫
  • ৩৫৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কৃষকদের বিনামুল্যে সার ও বীজ দেয়া হবে : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বন্যার ক্ষয়-ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আক্রান্ত এলাকার কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে সার ও বীজ দেয়া হবে। আর এজন্য ১২০ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, এছাড়া আবারও বন্যা হলে কি করণীয় তারও প্রস্তুতি নেয়া আছে। চলমান বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া সম্ভব।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এরআগে কৃষিমন্ত্রীর সাথে মন্ত্রণালয়ে তার কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক আলু কেন্দ্রের (আইপিসি) আঞ্চলিক সমন্বয়কারী ড. ইউ এস সিং-এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বৈঠক করেন।
এই প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন-কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ড.এম.এ বারী ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য লুৎফুল হাসান। বৈঠকে আলুর লেইট ব্লাইট রোগ নিয়ে কথা হয়।
ড. ইউ এস সিং বৈঠকে বলেন, আইপিসি বাংলাদেশে এর একটি কেন্দ্র স্থাপন করতে চাচ্ছে। এ প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বাংলাদেশে কেন্দ্র করার জন্য জমি দেওয়ার কথা জানান। আর এই কেন্দ্র স্থাপনের কারিগরী সকল সহায়তা দেবে আইপিসি। কৃষিমন্ত্রী এসময় আলুর জাত উন্নয়ন ও প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানির জন্য আইপিসি’র সহায়তা কামনা করেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু। বাংলাদেশে আলু একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল।
তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহৃত আলুর জাতের পরিবর্তন ঘটাতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করতে হলে সে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী আলু উৎপাদন করতে হবে। আমাদের চাহিদার চেয়ে বেশি উৎপাদিত আলু নিয়ে কাজ করতে হবে। এর প্রক্রিয়াজাত করে নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি করতে হবে, পাশাপাশি আলুর বহুবিধ ব্যবহার করতে হবে।
বৈঠকে ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘কৃষি খাতের জন্য টাকার কোনো সমস্যা নেই। আমরা আপনাদের (আইপিসি) সহযোগিতা চাই, কীভাবে আলুর জাত উন্নয়ন ও তা প্রক্রিয়াজাত করে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করা যায় সে ব্যাপারে। অনুকূল আবহাওয়া ও মাটির কারণে কিছু জেলায় আলুর প্রায় ৩০টি জাতের চাষ ব্যাপকভাবে হয়।’
তিনি বলেন, বিগত বছর আলুর উৎপাদন আমাদের চাহিদার চেয়ে প্রায় ৩০ লাখ টন বেশি হয়েছে। এছাড়াও পুষ্টিমান সম্পন্ন মিষ্টি আলুর চাষ হচ্ছে আমাদের দেশে। এ খাতে বাংলাদেশকে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat