ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৮-০৮
  • ৩৮৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

জাপানের টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস, বিন¤্র শ্রদ্ধা, সম্মান আর ভালোবাসা নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেছে।
দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ এবং দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ।    
সকালের অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর আজীবনের আন্দোলন, সংগ্রাম ও ত্যাগ-তিতীক্ষার অকুন্ঠ সমর্থক ও প্রেরণাদায়ী মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর পর বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতাসহ তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যদের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং দেশ ও দেশবাসীর কল্যাণে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী সকলের উদ্দেশে পাঠ করে শোনানো হয়।
রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব সারাজীবন বঙ্গবন্ধুকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের নিভৃত সহচর হিসেবে বিদ্যমান থেকে বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান ও সহযোগিতা করেছেন।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, সংগ্রামী জীবনে বঙ্গবন্ধু বহুবার কারাবরণ করেছেন, আর তখন সাহসী বঙ্গমাতা পরিবার দেখাশোনার পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদেরও আগলে রেখেছিলেন প্রজ্ঞা ও দায়িত্বশীলতার সাথে। আর এজন্যই কোন রাজনৈতিক পদধারী না হয়েও তিনি বাংলাদেশে নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক।    
রাষ্ট্রদূত বলেন, বঙ্গমাতা ছিলেন একজন আদর্শ নারী যিনি পরিবারে স্ত্রী-মাতার ভূমিকায় কোমলতা আর দেশের প্রয়োজনে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণে কঠোরতার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটিয়ে ছিলেন। তিনি বঙ্গমাতার আদর্শ দেশের নতুন প্রজন্ম বিশেষ করে নারীদের কাছে তুলে ধরার আহ্ববান জানান যাতে বঙ্গমাতার জীবনকর্ম থেকে আজকের  প্রজন্ম ত্যাগ, দেশপ্রেম, সাহস, বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতার শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।    
অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কর্মজীবন, ত্যাগ ও সংগ্রামের উপর উম্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।  

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat