ব্রেকিং নিউজ :
কৃষি উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন সময়োপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী মোসাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার দায়ে ইরানে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর জেন্ডার সংবেদনশীলতার অভাব সমষ্টিগত মূল্যবোধের ঘাটতির বহিঃপ্রকাশ : তথ্যমন্ত্রী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তি আলোচনা বন্ধের ঘোষণা কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ লেবাননের মানবিক সংকট মোকাবিলায় ৫০০ মিলিয়ন ইউরো দরকার : নাওয়াফ সালাম সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ২৩,৩৭২ জন হজযাত্রী সিলেবাস অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন বিতরণে কেন্দ্র সচিবদের নির্দেশনা ঢাকা বোর্ডের নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকিয়ে ‘কন্যা সাহসিকতা’ পুরস্কার পেল পিরোজপুরের তহমিনা অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-১২-০৬
  • ৬৭০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

লালমনিরহাট জেলায় আজ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে লালমনিরহাট মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকাল ৯টায় সরকারি হাইস্কুল খেলার মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিষদ মিলনায়তন প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
পরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক টি.এম.এ মমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) আজিজুল হক বীর প্রতীক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট মতিয়ার রহমান,সাবেক সংসদ সদস্য সফুরা বেগম রুমি, , পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু রায়, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের এই দিনে লালমনিরহাট জেলা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর দখল মুক্ত হয়। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে চূড়ান্ত বিজয়ের পূর্ব মুহূর্তে মুক্তিযোদ্ধারা লালমনিরহাট শহর ঘিরে ফেললে অবস্থা বেগতিক দেখে ৬ ডিসেম্বর ভোর ৬ টায় লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাক সেনা, রাজাকার আলবদর ও তাদের দোসর অবাঙ্গালীরা দুটি স্পেশাল ট্রেনে করে রংপুর ক্যান্টনমেন্টে পালিয়ে যায়। তিস্তা নদী পার হওয়ার পরে পাক সেনারা তিস্তা রেল সেতুতে বোমা বর্ষণ করে সেতুর ক্ষতি সাধন করে। লালমনিরহাট শত্রুমুক্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চারিদিক থেকে লোকজন ছুটে আসতে থাকে শহরের দিকে। বিভিন্ন জায়গায় উত্তোলন করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। সন্ধ্যার মধ্যে শহরের প্রাণকেন্দ্র মিশন মোড় এলাকায় লোকে পূর্ণ হয়ে যায়। শহরের বিভিন্ন সড়কে বের হয় আনন্দ মিছিল। স্বাধীনতার শ্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে শহর ও আশপাশের গ্রাম। বাঁধ ভাঙ্গা জোয়ারের মতো মানুষ ‘জয় বাংলা’ ধ্বনি দিয়ে ও বিজয় পতাকা নিয়ে ঢুকে পড়ে শহরে। মিলিটারি ফোর্স, সশস্ত্র গেরিলা বাহিনীর সদস্যরা স্বাধীনতাকামী মানুষদের নিয়ে উল্লাসে মেতে উঠেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat