ব্রেকিং নিউজ :
নীলফামারীতে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু কৃতী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে : চসিক মেয়র ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব ধরিত্রী দিবস-২০২৬ পালিত এলজিআরডির অব্যবহৃত ২০০ ভবন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে হাজং সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিষ্পত্তি করার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম মোবাইল ইউনিটে গ্রামেই হবে হৃদরোগের জটিল চিকিৎসা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আমিনবাজারে বাস্তবায়িত হবে ‘বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ’ প্রকল্প : জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৭-০৪
  • ৬৩০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
পাইনগাছের শক্ত, শুষ্ক ফল অর্থাৎ ‘কোন’ এর সঙ্গে ইউরোপবাসী আনারসের সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছিল। সে কারণে দক্ষিণ আমেরিকায় ইউরোপের অভিযাত্রীরা প্রথম এই ফল দেখে নাম রেখেছিল পাইনাপল (পাইন+আপেল)। সেটা ষোড়শ শতকের কথা। তখনকার অপরিচিত ফল আনারস এরপর খুব অল্প সময়েই সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বলা যায় এই ফলটি এখন বিশ্বের প্রধান ফলগুলোর একটি। এখন প্রায় সব দেশেই আনারসের চাষ হয়।
আনারস কাটতে দক্ষতার প্রয়োজন আছে। সুন্দর করে কাটা আনারস খাওয়ার তৃপ্তিই আলাদা। পাশাপাশি অনেকে আধপাকা বা পাকা আনারস রান্না করেও খান। মাংস বা মাছের সঙ্গে আনারস অতুলনীয়। কেবল সালাদ খেতে চাইলেও আনারসের জুড়ি নেই। আনারসের সালাদ যেমন পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ তেমনি সুস্বাদুও। এ ছাড়া টাটকা আনারসের জুস শরীরের ক্লান্তি দূর করে ঝরঝরে করে তুলে।
আনারসের পুষ্টিগুণ: আনারসে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম ব্রোমেলেইন। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’-পাওয়া যায়। এই ফলে আছে ম্যাঙ্গানিজ নামক খনিজ উপাদান, যা দেহের শক্তি বাড়ায়। আছে যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন বি-১, যা শরীরের জন্য অপরিহার্য। পাশাপাশি এই ফল খেলে শরীরে খুব কম ক্যালরি সঞ্চিত হয়। সুতরাং মুটিয়ে যাওয়ার ভয়ও থাকে না। প্রতি ১০০ গ্রাম আনারস থেকে পাওয়া যায় মাত্র ৫০ কিলোক্যালরি। তা ছাড়া এতে কোনো কোলেস্টেরলও নেই। এতে আছে পেকটিন নামক গুরুত্বপূর্ণ ডায়েটরি ফাইবার। ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্সের নানা উপদান যেমন ফলেট, থায়ামিন, পাইরিওফিন ও রিবোফ্লোবিনও পাওয়া যায় আনারস থেকে।
• আনারসের উপকারিতা: আনারস দেহের গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। গয়টার অর্থাৎ থাইরয়েড গ্রন্থির স্ফীত হওয়া প্রতিরোধ করে। নিয়ন্ত্রণ করে উচ্চ রক্তচাপ। এটি আর্থরাইটিস উপশমে সহায়তা করে। তা ছাড়া কৃমিনাশক হিসেবে কাজ করে। ক্ষুদ্রান্ত্রের জীবাণু ধ্বংসে উপকারী। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং মর্নিং সিকনেস অর্থাৎ সকালের দুর্বলতা দূর করে। এটি জরায়ু, স্তন, ফুসফুস, অন্ত্র ও ত্বকের ক্যানসার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বার্ধক্যজনিত চোখের ত্রুটি প্রতিরোধে সাহায্য করে। আনারস জ্বর ও জন্ডিস রোগের জন্য বেশ উপকারী।
এক কথায়, দেহের পুষ্টি সাধন এবং দেহকে সুস্থ, সবল ও রোগমুক্ত রাখার জন্য এটি একটি অতুলনীয় এবং কার্যকর ফল। তাই আমাদের প্রচুর পরিমাণে আনারস খাওয়া উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat