ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৮-২১
  • ৬৯৩১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ লাখের বেশি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলম। তফসিল ঘোষণার পরে এসব কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বলে তিনি জানান।
আজ সোমবার নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে কমিশনের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব এ কথা জানান।
জাহাংগীর আলম বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদসহ অন্য নির্বাচনের প্রশিক্ষণসূচি অনুমোদন হয়েছে। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্যানেল প্রস্তুতের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত হবে। প্রশিক্ষণ সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শুরু হবে।
তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটার তালিকাভুক্ত করে স্মার্ট এনআইডি দিতে চায়।
সচিব বলেন, বাংলাদেশী প্রবাসী নাগরিকদের এনআইডি করার যে পাইলট প্রকল্প সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলছে, তার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও দুটি দেশ যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবে কাজ শুরুর অনুরোধ জানিয়েছে। কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ভোটের আগে যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের হাতে এনআইডি সেবা দেয়ার আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এটা শুরু করেছি। কবে তারা এ সেবা পাবে তা দুই দেশে টিম না যাওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না। তবে আশা করি, আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে করতে পারবো।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে তিনি বলেন, ১৯৮৩ সালের অর্ডিন্যান্স বাংলায় রূপান্তর করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আজ তা অনুমোদিত হয়েছে। ভেটিংয়ের পর সংসদে যাবে। সব আগের মতোই আছে।
তিনি বলেন, আপিল বিভাগের বিচারপতিরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন সিইসি সেই সুবিধা পাবেন এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন নির্বাচন কমিশনাররা সেই সুবিধা পাবেন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘সংশোধনের ক্ষেত্রে অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অনলাইনে মনোনয়নপত্র বাধ্যতামূলক হবে না, তবে আমরা উৎসাহিত করবো।’
তিনি বলেন, বৈঠকে আরেকটি বিষয় অনুমোদিত হয়েছে। মাঠপর্যায়ে যখন যে নির্বাচন হবে তখন যারা দায়িত্বে থাকবেন তারা আপ্যায়ন ভাতা পাবেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat