ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১০-১২
  • ৩৪৪৩৪৬১৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষার্থীদের  বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে আহত ইমরান হোসেনের চিকিৎসার খোঁজ নিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল। আজ শনিবার জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের  সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রাজধানীর শেরেবাংলানগরস্থ জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পরিবার-পরিজনহীন ইমরানকে দেখতে যান এবং তার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন। 

এ সময় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আহত ইমরানের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা তাকে দেখতে গিয়েছি। তার চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব এখন থেকে বিএনপি পরিবারের। ছাত্রদলই তার পরিবার হিসেবে পাশে থাকবে। ইমরান এখন থেকে পরিবারহীন নয়।’ এ সময় তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তাকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি পরবর্তী পুর্নবাসনে যাবতীয় খরচ বহনের ঘোষণা করা হয়।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি ডা. আউয়াল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. আকাশ, সহ-সাধারণ সম্পাদক ডা. নিবিড়, মো. রাহাত হোসেন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ডা. সৈকত ও সাধারণ সম্পাদক ডা. ইমরান। 

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আহত ইমরানকে বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার অতি দ্রুত আহতদের চিকিৎসা সেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। তবে দলের পক্ষ থেকে আমরা আপনার চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেব। আমাদের মানবিক নেতা তারেক রহমানের নির্দেশনায় আপনার পাশে আজীবন থাকবে ছাত্রদল।’

এর আগে ইমরান একটি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমাকে এখন পর্যন্ত কেউ দেখতে আসেনি, কারণ আমার পরিবার বলতে কিছু নেই। নিজের জমানো প্রায় ৫০ হাজার টাকা ছিল, সেটাও খরচ হয়ে গেছে চিকিৎসার পেছনে। বাকি খরচ কিভাবে চলবে সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। হাসপাতালে পরিদর্শনে আসা বিভিন্নজন কিছু টাকা দিয়েছেন, সেটাই এখন একমাত্র ভরসা। এর বাইরে আর কোনো পথ নেই। হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকায় আমার কোনো উপার্জনেরও এখন সুযোগ নেই।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat