ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০৩-০৫
  • ৩৪৪৫৬১৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্থাপনাসমূহ সংরক্ষণ ও পুনর্নিমাণ’ প্রকল্পের নথি গায়েব করে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আজ দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। 

আজ দুদকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযান পরিচালনাকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের রেকর্ডপত্র চাওয়া হয়। প্রাথমিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, প্রকল্পটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হলেও তা বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল এলজিইডি। এলজিইডি থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং প্রকল্পের রেকর্ডপত্রের সঠিকতা যাচাই করে কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে এনফোর্সমেন্ট টিম।

এছাড়া বাগেরহাট যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণ ভাতা ও বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের বাগেরহাট জেলা কার্যালয় থেকে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

দুদক টিম সরেজমিন বাগেরহাট যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পরিদর্শন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষণার্থীদের তালিকা ও বাজেটের বরাদ্দপত্রসহ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে। দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে বেশ কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থী এবং রিসোর্স পার্সনের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, তাদেরকে বাজেটের থেকে কম ভাতা/সম্মানী প্রদান করা হয়েছে। 

অভিযানকালে যানবাহনের তেল খরচ বাবদ বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে পাওয়া যায়নি। লগ বই বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ৩০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য ১৫ লিটার তেলের ব্যবহার করা হয়েছে- যা যথার্থ নয় বলে প্রতীয়মান হয়। সার্বিক বিবেচনায়, ভুয়া বিল ও ভাউচার তৈরি করে প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাতসহ অন্যান্য অভিযোগের সত্যতা রয়েছে বলে প্রাথমিক যাচাইয়ে প্রতীয়মান হয়েছে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat