ব্রেকিং নিউজ :
রাজশাহী বিভাগের সব জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ৮ টি ইঞ্জিনচালিত নৌকাকে জরিমানা প্রধানমন্ত্রীর ভারত ও জাপান সফর এখনো চূড়ান্ত নয় : শামা ওবায়েদ নাটোরে নজরুলবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে রবীন্দ্র-নজরুল মৃত্যুবার্ষিকী পালিত এনজিও খাতের কর্মীদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান ড. তিতুমীরের নরসিংদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে দিনব্যাপী জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পলক যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না: অভিযোগ আইনজীবীর প্রধানমন্ত্রী ১৬ আগস্ট জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন করবেন : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে: মাহ্দী আমিন
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৮-১০
  • ৪১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়ে এ অঞ্চলের দেশগুলোর ‘দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে সোমবার জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এ অঞ্চলের দেশগুলো বুঝতে পেরেছে, নিরাপত্তা এমন কোনো পণ্য নয়, যা ভুয়া মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে কেনা যায়।’

এ চুক্তির তিন স্বাক্ষরকারী দেশের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি এ কথা বলেন।

তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘অতীতের মতো এ অঞ্চলের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিরাপত্তার দাবির ওপর নির্ভর করতে পারে না।’

ইরানকে লক্ষ্য করে এ চুক্তি করা হয়ে থাকতে পারে—এমন আশঙ্কা নিয়েও ইরান উদ্বিগ্ন নয় বলে জানান বাকাই। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের ‘গভীর ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও সভ্যতাগত সম্পর্ক’ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাকাই বলেন, ‘এই চুক্তি ইরানের বিরুদ্ধে হবে—এমন আশঙ্কার কোনো কারণ নেই।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাঁচ মাস ধরে চলা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার তিন দেশ চুক্তিটি স্বাক্ষর করে। এ যুদ্ধে আশপাশের কয়েকটি দেশও জড়িয়ে পড়েছে এবং আঞ্চলিক নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার জানিয়েছে, চুক্তির আওতায় কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর হামলা হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। চুক্তিটির উদ্দেশ্য ‘সম্মিলিত প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করা’ বলেও জানানো হয়েছে।

বিশ্লেষকেরা বলেছেন, চুক্তিটির লক্ষ্য হলো শক্তিশালী হয়ে ওঠা ইরানকে প্রতিহত করা এবং নির্ভরযোগ্য নয় এমন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের ভারসাম্য তৈরি করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat