ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০১৭-০৬-১১
  • ৫৩০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বেলকুচি-চৌহালী (সিরাজগঞ্জ-৫) আসনে কে পাবে ধানের শীষ প্রতিক
নিজস্ব প্রতিনিধি: - শরীফ আহমদ ইন্না (সিরাজগঞ্জ): আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেলকুচি-চৌহালী (সিরাজগঞ্জ-৫) আসনে কে পাবে ধানের শীষ প্রতিক। তা নিয়ে এরই মধ্যে লড়াই জমে উঠেছে। এই লড়াইয়ে অনেকে থাকলেও মূল মনোনয়ন যুদ্ধটা হবে সাবেক এমপি মঞ্জুর কাদের ও বিএনপি নেতা রাকিবুল করীম খান পাপ্পুর মধ্যে। এর মধ্যে পাপ্পু খান প্রচারণা শুরু করে দিলেও মেজর মঞ্জর কাদেরকে এখনো এলাকায় দেখা যায়নি। কয়েক দফা শো ডাউন করেছেন তিনি ইতিমধ্যে। জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা তাকে সাহস জোগাচ্ছেন। নেতাকর্মীদের দুর্দিনে তিনি অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে চলছে তার ইফতার পার্টি। এ পর্যন্ত রাকিবুল করীম খান পাপ্পু ছাড়া অন্য কোনো নেতার নির্বাচনী প্রচারণা ও দলীয় কর্মকাণ্ড চোখে পড়েনি। সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি-চৌহালী উপজেলা নিয়ে সিরাজগঞ্জ-৫ আসন। ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর মঞ্জুর কাদের (অব.) আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের কাছে পরাজিত হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যান। সেই থেকে দীর্ঘ ৯ বছর মেজর মঞ্জুর কাদের তার নির্বাচনী এলাকায় আসেননি। সেই থেকে তিনি দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি জন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। বিগত আন্দোলন সংগ্রামে মেজর মঞ্জুর কাদের এলাকায় আসেননি। দীর্ঘ ৯ বছর তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের ফেলে রেখে ঢাকায় অবস্থান করছেন। আন্দোলন সংগ্রামে তার কোনো অবদান নেই। দলীয় কর্মসূচি তার কোনো উপস্থিতি ছিলো না। তার চলে যাওয়া অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে বেলকুচি-চৌহালী বিএনপি নেতাকর্মীরা। যুবদলকর্মী সোহেল আহমেদ বলেন, ২০০৮ সালে নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর একবার এসেছিলেন চৌহালী উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন করতে। কিন্তু আমাদের সাথে তার কোনো দেখা হয়নি। মোবাইল ফোনেও তার যোগাযোগ নেই। দলের দুঃসময়ে তার কোনো অবদান নেই। এ কারণে মেজর মঞ্জুর কাদের ইমেজ সংকটে পড়েছেন। তার অনুপুস্থিতিতে জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য রাকিবুল করীম খান পাপ্পুর জনপ্রিয়তা বেড়েছে। দলীয় মনোনয়ন পেতে জোরালো জনসংযোগ চালাচ্ছেন পাপ্পু খান। মনোনয়ন পাওয়র সম্ভবনা বেড়ে গেছে তার। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীরা পাপ্পু খানকে এই আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চান। তিনি একজন ব্যবসায়ী। তাঁত সমৃদ্ধ এই অঞ্চলের হিন্দু মুসলিম অনেকে তাকেই চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat