ব্রেকিং নিউজ :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী এমপি আমির হামজাকে ফের লিগ্যাল নোটিশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২,৮৪২ সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু : শিক্ষামন্ত্রী এক সপ্তাহের মধ্যেই বিদ্যুতের লোডশেডিং কমে আসবে : প্রতিমন্ত্রী শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মায়ের দুধের বিকল্প নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংবাদপত্রের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সাংবাদিকতার প্রধান শর্ত : প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান
  • প্রকাশিত : ২০১৮-১০-০৯
  • ৩৯২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
মো. শাহজাহান খান হত্যা মামলায় তার স্ত্রীসহ চারজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যকর মো. শাহজাহান খান হত্যা মামলায় তার স্ত্রী কোহিনূর বেগমসহ চারজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শেখ সুলতানা রাজিয়া এ রায় ঘোষণা করেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নবীনগর উপজেলার জালশুকা গ্রামের আবুল খায়ের, গোলাপ মিয়া ও দোহা ওরফে দুইখ্যা ও কোহিনুর বেগম। এদের মধ্যে আবুল খায়ের ছাড়া বাকি সবাই পলাতক রয়েছেন। এ মলায় মোখলেছুর রহমান ও আল আমিন নামে দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, আমতলি গ্রামের আবদুল বারেক খানের ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী মো. শাহজাহান খান গত ২০০৯ সালে ১৩ নভেম্বর ছুটিতে বাড়িতে আসেন। আসার পর থেকে স্ত্রী কোহিনূরের পরকীয়া নিয়ে মনোমালিন্য চলতে থাকে। ২ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে তিন সন্তান নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন শাহজাহান। হঠাৎ রাত ১২টা থেকে ১টার মধ্যে শাহজাহানের ঘরে চিৎকার শুনে বাবা বারেক খান গিয়ে দেখেন বিছানায় শাহজাহানের গলাকাটা দেহ পড়ে রয়েছে।
এ ঘটনায় ৩ ডিসেম্বর কোহিনূরকে প্রধান আসামি করে নবীনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন বারেক খান। পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পরবর্তীতে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি দ্বীন ইসলাম বলেন, এটি একটি যুগান্তকারী রায়। এ রায়ের ফলে আর কোনো নারী তার স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করবেন না বলে আমাদের বিশ্বাস। বাকি আসামিরা গ্রেফতার হওয়ার পর তাদের রায় কার্যকর হবে।
এ রায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট একেএম আবদুল হাই বলেন, এ মামলার সুষ্ঠু বিচারের আশায় উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat