ব্রেকিং নিউজ :
ফেনীতে বন্দিদশা থেকে মুক্ত শতাধিক পাখি গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময় টাঙ্গাইলে ৩১ দফা বাস্তবায়নে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ নাটোরে বর্ণিল পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত বেরোবি’র মাধ্যমে আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার পরিচালনায় চুক্তি স্বাক্ষর আলেম-ওলামাদের মেহনত ব্যর্থ হয়নি : ধর্ম উপদেষ্টা হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন খালেদা জিয়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ২২ হাজার ৭০০ প্রবাসীর নিবন্ধন ভূমিকম্পের ঘটনায় আতঙ্কিত নয়, সচেতন হবার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের- প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার কৃষিতে ব্যবহৃত কীটনাশক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদে হুমকি তৈরি করছে: মৎস্য উপদেষ্টা
  • প্রকাশিত : ২০২২-১০-১০
  • ৬২৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

বগুড়া জেলায় আজ সদর উপজেলার শাজাহান আলী হত্যা মামলায় ১১ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয়মাস কারাদন্ডের দিয়েছে আদালত।
আজ সোমবার বেলা ১২ টায় বগুড়ার ১ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক হাবিবা মন্ডল এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলো- বগুড়া সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রশিদুল ইসলাম ওরফে রশিদ মৃধা, উজ্জল আকন্দ, সবুজ আকন্দ, আব্দুল মান্নান, জুয়েল প্রাং, পিলু খন্দকার, বিপ্লব মিয়া, রাসেল মিয়া, মোখলেছার রহমান মুকুল, আ. হামিদ খোকা আকন্দ ও জাহেদুল রহমান। দন্ডিত ব্যক্তিরা সবাই সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়নের দক্ষিনভাগ এলাকার বাসিন্দা।
দন্ডপ্রাপ্ত ১১ জনের মধ্যে তিনজন- জুয়েল প্রাং, বিপ্লব মিয়া ও রাসেল মিয়া পলাতক। পলাতক আসামীদের আত্মসমর্পণ ও গ্রেফতারের দিন থেকে সাজার মেয়াদ গণনা শুরুর নির্দেশনা দিয়েছে আদালত।
এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি নাছিমুল করিম হলি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি জেলার সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ১১ ফেব্রুয়ারি হামলার শিকার হন শাজাহান আলী (৬২)। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে ওই বছরই ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় শাজাহান আলীর আপনভাই মাহমুদুর বাদী হয়ে বিএনপি নেতা মো. রশিদুল ইসলাম ওরফে রশিদ মৃধা-সহ ১২ জনকে আসামি করে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমানের ভিত্তিতে এ মামলার ১২ আসামির মধ্যে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় অপর আসামি আলমগীর হোসেনকে বেকসুর খালাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ মামলায় বাদি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এ্ডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব ও এ্ডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat