ব্রেকিং নিউজ :
ফেনীতে বন্দিদশা থেকে মুক্ত শতাধিক পাখি গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময় টাঙ্গাইলে ৩১ দফা বাস্তবায়নে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ নাটোরে বর্ণিল পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত বেরোবি’র মাধ্যমে আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার পরিচালনায় চুক্তি স্বাক্ষর আলেম-ওলামাদের মেহনত ব্যর্থ হয়নি : ধর্ম উপদেষ্টা হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন খালেদা জিয়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ২২ হাজার ৭০০ প্রবাসীর নিবন্ধন ভূমিকম্পের ঘটনায় আতঙ্কিত নয়, সচেতন হবার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের- প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার কৃষিতে ব্যবহৃত কীটনাশক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদে হুমকি তৈরি করছে: মৎস্য উপদেষ্টা
  • প্রকাশিত : ২০২২-১০-২৯
  • ৩৯৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

একজন তরুণীর ওপর এসিড নিক্ষেপ শুধু অমানবিকই নয়, এটা বর্বর ও ঘৃণ্য অপরাধ। কোনো সভ্য সমাজ এ ধরনের অপরাধ মেনে নিতে পারে না। এই এসিড সন্ত্রাসীদের মৃত্যুদন্ড না দিলে বিচারের নামে তামাশা হবে।
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে স্ত্রীকে এসিড নিক্ষেপের দায়ে স্বামী আকবর আলীর মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ পর্যবেক্ষণ দিয়েছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। ১০ পৃষ্ঠার এ রায় সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, এই মামলায় ১৮ বছরের একজন তরুণীর ওপর এসিড নিক্ষেপ করা হয়েছে। এটা শুধু ভয়ঙ্করই নয়, হত্যার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। এসিড সন্ত্রাসের কারণে ভিকটিমের মুখমন্ডল ও শরীরের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শরীরের এই ক্ষত তাকে আজীবন বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। এই ক্ষত তাকে প্রতিনিয়ত মানসিক যন্ত্রণা দিচ্ছে। যখন একজন নারী এসিড সন্ত্রাসের শিকার হন তখন সেই অপরাধ শুধু সমাজের বৃহত্তর অংশ কেন ভিকটিমের বাবা, মা, বোন, ভাই কেউ তা মেনে নিতে পারেন না। এসব কারণে আদালত আপিলকারী আকবর আলী ওরফে জেলহক মন্ডলের মৃত্যুদন্ড বহাল রেখেছে। যদি আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি না দিয়ে তার আপিল গ্রহণ করা হয়; তাহলে তা বিচারের নামে তামশা হবে বলেও রায়ে উল্লেখ করে আপিল বিভাগ।
২০০৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আকবর আলীর সঙ্গে ভিকটিমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর আকবর আলী ফের সৌদি আরব চলে যান। এর কয়েকমাস পর দেশে ফিরে স্ত্রীকে সৌদি আরব নিয়ে যেতে চাইলে এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রী ও দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ হয়। ঘটনার জেরে ২০০৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মধ্য রাতে স্ত্রীর গায়ে আকবর আলী এসিড ঢেলে দেয়। এরপর আহত গৃহবধূকে উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন ১৯ ফেব্রুয়ারি ভিকটিমের বাবা একই উপজেলার বড় বাসুরিয়া গ্রামের মো. আব্দুল আউয়াল শেখ শাহজাদপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় ২০০৯ সালে আত্মসমর্পণ করেন আকবর আলী। এরপর সিরাজগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত বিচার শেষে ২০০৯ সালের ২৩ আগস্ট এসিড অপরাধ দমন আইনের ৫(ক) ধারায় আকবর আলীকে মৃত্যুদন্ড দেয়। বিচারিক আদালত থেকে পাঠানো ডেথ রেফারেন্স ও কারাবন্দি আসামির আপিল শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর আকবর আলীর মৃত্যুদন্ড বহাল রাখে। এ রায়ের বিরুদ্ধে কারাবন্দি আসামি আপিল বিভাগে আপিল করে। পরে ২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর সেই আপিল খারিজ হয়ে যায়। সম্প্রতি আপিল বিভাগের এ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat