ব্রেকিং নিউজ :
ফেনীতে বন্দিদশা থেকে মুক্ত শতাধিক পাখি গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময় টাঙ্গাইলে ৩১ দফা বাস্তবায়নে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ নাটোরে বর্ণিল পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত বেরোবি’র মাধ্যমে আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার পরিচালনায় চুক্তি স্বাক্ষর আলেম-ওলামাদের মেহনত ব্যর্থ হয়নি : ধর্ম উপদেষ্টা হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন খালেদা জিয়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ২২ হাজার ৭০০ প্রবাসীর নিবন্ধন ভূমিকম্পের ঘটনায় আতঙ্কিত নয়, সচেতন হবার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের- প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার কৃষিতে ব্যবহৃত কীটনাশক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদে হুমকি তৈরি করছে: মৎস্য উপদেষ্টা
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৫-২৬
  • ৩২৪৩৪৫৮৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
চাঁদপুর জেলায় আজ আলোচিত মিতু আক্তার (২১) হত্যা মামলার আসামী মো. হযরত আলী (৩০) কে মৃত্যুদন্ড ও একলাখ টাকা জরিমানা এবং অপর ধারায় সাতবছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
আজ রোববার দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত (২)- এর বিচারক সাহেদুল করিম এই রায় দেন।
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী মো. হযরত আলী জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার কীর্তনখোলা গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে।
হত্যাকান্ডের শিকার মিতু আক্তার জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আবু তাহেরের মেয়ে। 
এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট মজিবুর রহমান ভূঁইয়া এবং  আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট সেলিম আকবর ও ইয়াসিন আরাফাত ইকরাম।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, মিতু আক্তারের সাথে ২০১৩  সালে আসামী হযরত আলীর সাথে মোবাইলে পরিচয় এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক হয়। ওই বছরই তারা উভয়ে নিজ ইচ্ছায় হাজীগঞ্জে কাজী অফিসে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে মিতু নির্যাতনের শিকার হন। এর ফলে ২০১৬ সালের ২৫ জুন নোটারী পাবলিক-এর মাধ্যমে মিতু ও হযরত আলীর তালাক সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে হযরত আলী বিদেশে চলে যায় এবং মিতুর সাথে ফোনে যোগাযোগ রাখে। ২০১৭ সালের জুন মাসে আবার দেশে ফিরে আসে। ওইবছরের ২৩ জুলাই রাতে হযরত আলী ও তার বন্ধুদের মিতুদের বাড়ীতে খেতে আসার কথা ছিল। ওইদিন রাত ৯টার দিকে হযরত আলী মোবাইল ফোনে মিতুকে তার বন্ধুদের তাদের বাড়ীর সামনে থেকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বলে । হযরত আলীর বন্ধুদের এগিয়ে আনতে গিয়ে দীর্ঘ সময় পরেও মিতু ফিরে না আসায় তার মা রাবেয়া বেগম এগিয়ে গিয়ে এলাকার আবদুর রহমানের ঘরের দক্ষিণে পুকুর পাড়ে মিতুর গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। মিতুর মায়ের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে নিহত মিতু আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে।
এই ঘটনায় নিহত মিতুর মা রাবেয়া বেগম  ২৪ জুলাই ২০১৭ তারিখে হযরত আলীকে আসামী করে হাজীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ আসামীকে হযরত আলীকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে। মামলাটি তদন্ত করার দায়িত্ব পান  হাজীগঞ্জ থানায় কর্মরত  উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জসিম উদ্দিন। তিনি তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আসামির স্বীকারোক্তি, ১৯ জনের সাক্ষ্য ও  মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত (২)- এর বিচারক সাহেদুল করিম আজ এ মামলার রায় ঘোষনা করেন। রায়ে আসামী মো. হযরত আলী (৩০) কে মৃত্যুদন্ড ও একলাখ টাকা জরিমানা এবং অপর ধারায় সাতবছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat