ব্রেকিং নিউজ :
বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: মাহদী আমিন বাংলাদেশি পণ্য আমদানি বাড়াতে চীনের প্রতি গভর্নরের আহ্বান বিশ্ব পর্যটন দিবস উদ্যাপনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ মেজর (অব.) মোজাফফরকে গ্রেফতার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে ৫ বছর মেয়াদি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ইউজিসির স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক হলেন ডা. নুরুল ইসলাম সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপির বিষয়ে সংসদের রেফারেন্স পেলেই ব্যবস্থা: নির্বাচন কমিশনার নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কায় তীব্র খরা ও ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৬-১২
  • ৩৭২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকার উচ্চ মূল্যের ফসল উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে : কৃষিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:-লাভজনক কৃষির কথা মাথায় রেখে উচ্চ মূল্যের ফসল আবাদের প্রতি মন্ত্রণালয় গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।
কাজুবাদাম উৎপাদনকারী, প্রক্রিয়াজাতকারী ও রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন-এর নের্তৃবৃন্দ কৃষিমন্ত্রীর সাথে আজ তার সচিবালয়ের কার্যালয়ে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান। এতে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি মো. হারুন।
কৃষিমন্ত্রী এসময় বলেন, উচ্চ মূল্যের কাজু বাদাম পুষ্টিকর এবং মজাদার খাদ্য। এটি উৎকৃষ্ট শিশু খাদ্যও বটে, যার চাহিদা সারা বিশ্বে দিন দি ন বাড়ছে। এর এক একটি গাছ ৫০ কেজি করে গ্রীণ হাউস গ্যাস (কার্বন ডাইঅক্সাইড) শোষণ করে। তাই এ গাছটিকে পরিবেশের বন্ধুও বলা চলে। বাদাম উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণে জনবলের প্রয়োজন হয়। এতে বিশেষ করে নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০১৪ সাল থেকে বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাশাপাশি থানচি, রোয়াংছড়ি ও সদর উপজেলা, খাগড়াছড়ি এবং রাঙ্গামাটিতে কাজুবাদাম চাষ হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে এই চাষ হচ্ছে।
কৃষি মন্ত্রী বলেন, সরকার সবসময় কৃষকের লাভের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রেও সরকারের সর্বাত্বক সহযোগিতা থাকবে। কাজুবাদাম আবাদ মোটামুটি সহজ। এটি চাষের ক্ষেত্র প্রসারিত করার পরামর্শ দেন তিনি। ভিয়েতনাম থেকে উচ্চ ফলনশীল জাতের চারা আমদানির ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে কাজু বাদাম চারায় সরকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে। আরো অধিক সংখ্যক খামারিকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, সকল উপযোগি পতিত জায়গায় এর চাষ করার তাগিদ দেন তিনি। প্রক্রিয়াজাতসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে জানান মন্ত্রী। প্রয়োজনে খামারিদের বিদেশে অভিজ্ঞতা অর্জন ও প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কাজু বাদামের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক এবং ক্রেতা।
কৃষি মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার কৃষির জন্য যা যা করার তার সব কিছুই করবে। কৃষিপণ্যটি রফতানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্ভাবনাময় রফতানি পণ্যের তালিকায় উঠে এসেছে এই কৃষিপণ্যটি। যে সব দেশে কাজুবাদাম বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয় সে সব দেশে গিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের তাগিদ দেন মন্ত্রী।
নের্তৃবৃন্দের মধ্যে সংগঠনের সহ-সভাপতি শফিক উদ্দিন, কাজী শাহাদাত হোসেন, মো. মহিউদ্দিন, মো. কামাল উদ্দিন,সাইফুদ্দিন হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat