ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৮-০৬
  • ৩৬৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বাড়ির মালিকদের করের আওতায় আনতে পুলিশের ডাটাবেজ ব্যবহারের চিন্তাভাবনা করছে এনবিআর

নতুন করদাতা সংগ্রহ বা রাজধানীসহ শহরের বাড়ির মালিকদের করের আওতায় আনার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) পুলিশের ডাটাবেজ ব্যবহারের চিন্তাভাবনা করছে। অপরাধীদের সনাক্ত করতে পুলিশের তৈরি করা এই ডাটাবেজে বাড়ির মালিকের তথ্য রয়েছে।
ইতোমধ্যে রাজধানীসহ আরো কয়েকটি বড় শহরে পুলিশ এ ধরনের ডাটাবেজ তৈরি করেছে।এতে অন্যান্য তথ্যের পাশাপাশি বাড়ির মালিক,ভবন মালিক,ভাড়াটিয়া,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দোকান মালিকের তথ্য রয়েছে। অর্থাৎ কারা বাড়ির মালিক সেই তথ্য এই ডাটাবেজ থেকে সহজে নিতে পারবে কর কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা বাসসকে বলেন,‘আয়কর অধ্যাদেশের ১৮৪ ধারার ই উপধারায় বলা আছে কর কর্তৃপক্ষ সরকারের অন্য কোন সংস্থার কাছে সহায়তা চাইলে, তারা সেই সহায়তা প্রদান করবে। সুতরাং বাড়ির মালিকের তথ্য পেতে আমরা পুলিশের ডাটাবেজ ব্যবহার করতে পারি। এখান থেকে আমরা, কারা বাড়ির মালিক সেই তথ্য সহজে পেয়ে যাব।’
তিনি বলেন, শহরের বাড়ির মালিকদের করের আওতায় আনতে নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও কার্যত খুব বেশি ফল আসেনি। ঢাকাসহ অন্যন্যা বড় শহরের অধিকাংশ বাড়ির মালিক এখনও করজালের বাইরে রয়ে গেছে। কিন্তু পুলিশের ডাটাবেজ ব্যবহার করলে বাড়ির মালিকদের সনাক্তকরণ যেমন সহজ হবে তেমনি তাদেরকে করজালের আওতায় আনা যাবে।
এনবিআরের এই কর্মকর্তা মনে করেন, বড় বড় শহরের অধিকাংশ বাড়ির মালিক অব্যশই করযোগ্য। তাই, পুলিশের ডাটাবেজ অনুযায়ী বাড়ির মালিকদের মধ্যে যারা করযোগ্য তাদেরকে যদি করের আওতায় আনা যায়, তাহলে অল্প সময়ের ব্যবধানে করদাতার সংখ্যা ৫০ লাখে উন্নীত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নতুন করদাতা সংগ্রহে পুলিশের ডাটাবেজ ব্যবহারের চিন্তাভাবনা করলেও এনবিআর এ বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি বলে তিনি জানান।
দেশে বর্তমানে ই-টিআইএনধারীর সংখ্যা ৪১ লাখ হলেও রিটার্ন দাখিল করেন মাত্র ২১ লাখ। এই ২১ লাখের মধ্যে আবার ১০ শতাংশ কোন কর দেন না অর্থাৎ তারা ‘জিরো রিটার্ন’ দেন।
পুলিশ সদর দফতরের তথ্যমতে, অপরাধী সনাক্তকরণে ঢাকা মহানগরীসহ আরো কয়েকটি বড় শহরে নাগরিকদের তথ্য নিয়ে পুলিশ ডাটাবেজ তৈরি করেছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শহরেও ডাটাবেজ তৈরি করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat