ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৮-২২
  • ৩৭৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
হবিগঞ্জে পৃথক হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

জেলার বানিয়াচং উপজেলার পুরান পাথাড়িয়া গ্রামের তিন খুনের পৃথক মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া রায়ে সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নাসিম রেজা এই রায় ঘোষনা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পুরান পাথাড়িয়া গ্রামের করম আলী, আলী মোহাম্মদ, সুরুজ আলী ও তুরাব আলী।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার পুরাণ পাথাড়িয়া গ্রামে পূর্ব বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন নিহত ও শতাধিক আহত হয়।
এক পক্ষের হেলিম উল্লার ছেলে নুর মোহাম্মদ খুনের ঘটনায় তার ভাই আলী আহম্মদ বাদী হয়ে ওই দিনই বানিয়াচং থানায় ১৩০জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
থানার এসআই অমরেন্দ্র বিশ্বাস ১৯৯৯ সালের ১১ আগস্ট এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে দীর্ঘ সময়ে ১১ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক আজ বৃহস্পতিবার আসামি করম আলীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন।
অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।
রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট সুবীর রায়।
একই ঘটনায় অপর পক্ষের আলা উদ্দিন এর ছেলে সামছুল হক এবং ইনছান উল্লার ছেলে আফিল উদ্দিন নিহত হন । নিহতদের আত্মীয় এবং ওই ঘটনায় আহত আকিতা বেগম ঘটনার দিন বাদী হয়ে ৬২জনকে আসামী করে আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
থানার এসআই অমরেন্দ্র বিশ্বাস ১৯৯৯ সালের ১১ আগস্ট আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরে দীর্ঘ সময়ে ৯ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত আসামী আলী মোহাম্মদ, সুরুজ আলী ও তুরাব আলীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন।
অন্য আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেখসুর খালাস দেয়া হয়। রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট সালেহ আহমেদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat