ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২০-১১-১৬
  • ১০৮৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগর উদ্যানে নব নির্মিত যুদ্ধাহত বীর ভাস্কর্য। যা ইতোমধ্যে সকল বয়সীদের নজর কেড়েছে। শিল্পীর দাবি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক দেশে অনেক ভাস্কর্য আছে, তবে যুদ্ধাহত বীর বাংলাদেশে এটিই প্রথম। ক্রাচে ভর দিয়ে বিজয় উল্লাস করছেন যুদ্ধাহত বীর। বাম পা আছে, ডান পা নেই। সূর্য সন্তানের মুখে বিজয়ের হাসি। ডান হাতে থ্রি নট থ্রি রাইফেল উঁচু করে আছেন। রাইফেলের উপরের অংশে জাতীয় পতাকা। ভাস্কর্যের পেছনে রয়েছে একটি ফলক। যার নিচের অংশে রয়েছে কচি একটি পাতা। যা সদ্য স্বাধীন লাভ করা বাংলাদেশকে ইঙ্গিত করে। যার উপরে ফলক রয়েছে বাংলাদেশের মানচিত্র। যার দুই পাশে তামা, পিতল ও অ্যালুমিনিয়াম পর্দাথের তিনটি বর্ণালী রেখা। যা সোনা-রূপার বাংলাদেশকে বুঝানো হয়েছে। মানচিত্রের ডানে ৩০, বামে ২ উপরে ৭ অঙ্কে লিখা আছে। এ তিনটি সংখ্যা দ্বারা ৭ বীর শ্রেষ্ঠ, ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা বোনের সমভ্রম হারানোর কথাকে স্মরণ করা হয়েছে। মানচিত্রের উপরে কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ দিয়ে, আজকের সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশের বার্তা দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্ছে ১৬টি এসএস স্টিক দেওয়া হয়েছে। যা ১৬ ডিসেম্বরের বার্তা বহণ করে। নিচের অংশে ট্যারাকোটার ছোঁয়া রয়েছে।
শিল্পী মোহাম্মদ শাহীন বাসসকে জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক দেশে অনেক ভাস্কর্য আছে তবে যুদ্ধাহত বীর বাংলাদেশে এটিই প্রথম। ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবসে এ ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হবে । এটির সকল কাজ শেষ হয়েছে। কুমিল্লা সিটি করর্পোরেশন অংকনশালা ও শিল্প চর্চা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা এ কাজে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছে।
মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু বাসসকে জানান, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উদ্যানে হাজারো মানুষ চলাচল করে। তারা মুক্তিযুদ্ধাদের ত্যাগের কথা জানবে, শিখবে। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ সৌন্দর্য রক্ষা সকলের দায়িত্ব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat