ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৭-১২
  • ৮১৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার পলাতক তিন আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন চট্টগ্রামের আদালত।  
আজ সোমবার  বিকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। 
পলাতক তিন আসামি হলো- কামরুল ইসলাম শিকদার মুছা, এহতেশামুল হক ভোলা ও খায়রুল ইসলাম কালু। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই’র পুলিশ পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। 
সন্তোষ কুমার চাকমা জানান, মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার তিন আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আমরা আদালতে আবেদন করেছিলাম। সোমবার আদালত শুনানি শেষে আমাদের আবেদন মঞ্জুর করেছেন। আদালত থেকে আদেশটি দেশের সকল স্থল ও বিমানবন্দরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে মাহমুদা খানম মিতু তার ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। মিতু হত্যার ৫ বছরের মাথায় গত ১২ মে তার পিতা মোশারফ হোসেন নগরীর পাঁচলাইশ থানায় মিতুর স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই মামলার তদন্তভার নেয় পিবিআই।
পিবিআই ১২ মে বাবুল আক্তারকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৭ মে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি গ্রহণের জন্য। কিন্তু বাবুল আক্তার আদালতে জবানবন্দি না দেওয়ায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর কারা কর্তৃপক্ষ বাবুল আক্তারকে ফেনী কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করেন।
এজাহারভুক্ত ৮ আসামির পাঁচজন কারাগারে থাকলেও, শুরু থেকে আলোচনায় থাকা কামরুল ইসলাম শিকদার মুসা ও খায়রুল ইসলাম কালুর কোনো হদিস পায়নি ডিবি, পিবিআই কিংবা পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। উধাওয়ের তালিকায় পরে যুক্ত হয় এহতেশামুল হক ভোলা। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat