ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো স্প্যানিশরা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশপ্রেম ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে খরচ প্রায় শূন্য, আগেরবার লেনদেন ছিল ১৪০ কোটির : তথ্যমন্ত্রী ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট ও স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করানোর কারনে মানহানি মামলা ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৪-১২
  • ৮৩৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার বন্যায় হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা দেবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবে সরকার। আউশ মৌসুমে এ প্রণোদনা দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।
আজ মঙ্গলবার সারবিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটির সভা শেষে কৃষিমন্ত্রী এ কথা জানান। কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন উপস্থিত ছিলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা আজকে দীর্ঘক্ষণ পর্যালোচনা করেছি সার নিয়ে। আমাদের এ মুহূর্তে সারের কোনো সংকট নেই। আমাদের প্রতি বছর ২৬ লাখ টন ইউরিয়া সার প্রয়োজন। টিএসপি সাড়ে ৭ লাখ টন, ডিএপি সাড়ে ১৬ লাখ টন, এমওপি সাড়ে ৭ লাখ টন লাগে। আজ পর্যন্ত আমাদের মজুদে কোনো সমস্যা হয়নি। এ পর্যন্ত টিএসপি, এমওপি ও ডিএপির মজুত আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি আছে। ইউরিয়া যেটুকু প্রয়োজন সেটাই আছে।
তিনি বলেন, সামনে কি হবে সেজন্য আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। গত বছর (২০২১ সালে) আমাদের যেটুকু চাহিদা ছিল সেটুকুই নির্ধারণ করেছি।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রতি বছরই অর্থবছরের শেষে আমরা আগামী অর্থবছরের জন্য কি পরিমাণ সার প্রয়োজন সেটি নির্ধারণ করি। এ বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য এমন নীতি বা কৌশল নেবো, যাতে করে কৃষি উৎপাদন কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়। সার নিয়ে আমাদের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। সার না পেয়ে ১৯৯৫ সালে ১৮ জন কৃষককে জীবন দিতে হয়েছে। তারা কোনো সাহায্য চায়নি, তারা শুধু ন্যায্য মূল্যে সার চেয়েছিলেন, এজন্য তাদের রক্ত দিতে হয়েছে।
‘আমাদের অর্থনীতির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে একটি হলো কৃষি। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষির গুরুত্ব আগেও ছিল আগামীতেও থাকবে। দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষের জীবিকা কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত। এজন্য সারের বিষয়টি অনেক গুরুত্ব দিয়ে দেখি। প্রধানমন্ত্রী সেই নির্দেশ দিয়েছেন, সার ব্যবস্থাপনায় যাতে কোনো সমস্যা না হয়। সার নিয়ে আমাদের কোনো সমস্যা হয়নি।’
আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, কৃষির উৎপাদন আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে, কোনোক্রমেই যেন আমরা বিদেশের ওপর নির্ভরশীল না হই।
সভায় কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী ও কমিটির সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বলাইকৃষ্ণ হাজরা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat