ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৪-১১
  • ৯৮৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিনিধি:- কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা স্লোগান হিসেবে বেছে নিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের ‘জয়বাংলা’স্লোগান। এর আগে নানা সময় মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করে ব্যর্থ হওয়ার পর এবার কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনীই ব্যবহার করছে আন্দোলনকারীরা। ব্যানারে বা স্লোগানে বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনার নামও নিচ্ছে আন্দোলনকারীরা। তারা স্লোগান দিচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘শেখ হাসিনার বাংলার বৈষম্যের ঠাঁই নাই।’ বাংলাদেশের জন্মের পর সরকারি চাকরিতে ৮০ শতাংশ কোটা ছিল। ১৯৭২ সালে ছিল ২০ ভাগ সাধারণ মেধা কোটা, ৪০ ভাগ জেলা কোটা, ৩০ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং ১০ ভাগ ছিল নারী কোটা। ১৯৭৬ সালে সাধারণ মেধা কোটা ৪০ ভাগ করে জেলা কোটা কমিয়ে ২০ ভাগ করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা কোটা আগের মতোই ৩০ শতাংশ এবং নারী কোটা ১০ শতাংশ রাখা হয়। ১৯৮৫ সালে সাধারণ কোটা আরও বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশ করা হয়। জেলা কোটা কমিয়ে করা হয় ১০ শতাংশ। ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা এবং ১০ শতাংশ নারী কোটায় হাত না দিয়ে পাঁচ শতাংশ কোটা দেয়া হয় ক্ষুদ্র নৃগগোষ্ঠীকে। আর আওয়ামী লীগ সরকার পরে এক শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা দেয়। ১৯৯০ সালের পর কোটাবিরোধী আন্দোলন প্রথমে গড়ে তোলে প্রধানত জামায়াতপন্থীরা। মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের দাবিতে তাদের আন্দোলন অবশ্য হালে পানি পায়নি। এরপর ১৯৯৭ সালে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদেরকে কোটায় অন্তর্ভুক্ত করার পর এই কোটা বাতিলের দাবিতে নানা সময় আন্দোলনের চেষ্টা হয়েছে। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও একবার দাবি তোলার চেষ্টা হয়। সেগুলো ব্যর্থ হওয়ার পর এবার আন্দোলন শুরু হয় কোটা সংস্কারের দাবিতে। আর কোনো বিশেষ কোটার কথা না বলে সব কোটা কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি সামনে নিয়ে আসা হয়। অবশ্য সামাজিক মাধ্যম বা বিভিন্ন কর্মসূচিতে আগের মতোই মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়েই আক্রমণ করা হচ্ছে, নানা কথা বলা হচ্ছে। এর মধ্যেই আন্দোলনকারীরা মুক্তিযোদ্ধাদের স্লোগান ‘জয় বাংলা’ই ব্যবহার করছে। বিষয়টিকে কৌশল হিসেবেই বলছেন আন্দোলনকারীরা। জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনী হলেও আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলে বা আওয়ামী লীগপন্থী সংগঠন ছাড়া অন্যরা এই স্লোগান ব্যবহারের প্রবণতা কম। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর জয় বাংলা স্লোগানের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে বক্তব্যও দিয়েছে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। অবশ্য ইদানীং আর কেউ কটাক্ষ করে না। তবে ২০১৩ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের সময় ব্যাপকভাবে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের ব্যবহার হয়েছে। গণজাগরণ মঞ্চ ভেঙে কয়েক টুকরা হওয়ার পর প্রতিটি অংশই এই স্লোগান ব্যবহার করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat