ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০২-২৮
  • ৩৭১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার জনগণের বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ।
রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিউটিটে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত সম্প্রচার সাংবাদিক সুরক্ষা প্রতিবেদন শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্ততায় তিনি  আজ এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন কোন আইন করবে না, যেটা সংবিধান পরিপন্থী। সেকারণেই বলছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা বা বাক-স্বাধীনতা হরণের জন্য করা হয়নি। এটা সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও দমন করার জন্য করা হয়েছে।
আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছিল, সেগুলোর ব্যাপারে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। যেসব সমস্যা ছিল, সেগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সমাধান করার চেষ্টা করছি। এ সময় আইনমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি একজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের মামলা গ্রহণের আগে পুলিশের শীর্ষ একজন কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, মামলাটি তিনি নেবেন কি না। আমি তখন মতামত দিয়েছি। এটাও একটা অগ্রগতি। আগে পুলিশ মামলা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করতো।
আইনমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। গণমাধ্যম কর্মী আইনটি সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আইনটি এখন সংসদীয় কমিটিতে আছে। যেহেতু এ আইনের বেশ কিছু ধারা নিয়ে সাংবাদিক মহল কথা বলছেন, তাই এগুলো নিয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গে সাংবাদিক নেতারা, মালিক পক্ষ এবং প্রয়োজনে আমি থেকে আলোচনা করতে পারি এবং আপনারা চাইলে এবিষয়ে আমি উদ্যোগ নিতে পারি।
আইনমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম সেক্টর এখন যথেষ্ট পরিপক্ক সেক্টর। তাই এখানে আইন, রেগুলেটরি বডি করার সময় এসেছে। আমি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষার স্বার্থে আইন করার পক্ষে। এ জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বিজেসি পক্ষ থেকে দেশের ২৩টি টেলিভিশন চ্যালেনের কর্মীদের মৌলিক প্রাপ্যতা ও সুরক্ষা নিয়ে একটি জরিপের ফলাফল তুলে ধরা হয়। 
ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো) এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ইকবাল সোবহান চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক শফিউল আলম ভূঁইয়া, বিজেসির সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat