ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৪-১৬
  • ১০৯৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিনিধি:- কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া চার নেতার বিরুদ্ধে শিবির সম্পৃক্ততার বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের এক বাক্যে তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘যেমন কুকুর তেমন মুগুর।’ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শনে গিয়ে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের চার নেতা আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, রাশেদ খাঁন, ফারুক হাসান, নুরুল হক নূরকে নিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় যাদের শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়েছে। এদের মধ্যে হাসান আল মামুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হল ছাত্রলীগের সহসভাপতি। আর ফারুক এস এম হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ভোল পাল্টালেও তাদের শিবির সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছে একটি গোয়েন্দা সংস্থা। একই দিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে রাশেদ খাঁন ও ফারুক হাসান তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বলেছেন, এটা একটা অপপ্রচার। আন্দোলন চলাকালে তাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা খোঁজ খবর নিয়ে কিছুই পায়নি। আর এই সংবাদ সম্মেলন করার কিছুক্ষণ পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহতদের দেখতে গিয়ে ফেরার পথে রাশেদ, ফারুকের পাশাপাশি কোটা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া সংগঠনের আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম নুরুকে তুলে নেয়ার অভিযোগ করছেন সংগঠনের অন্য নেতারা। একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা এরই মধ্যে গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তিনজনকে ধরে আনা হয়েছে। কোটা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া তিন নেতার বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেয়ার আগে কাদের কথা বলেন বিএনপির আন্দোলন নিয়ে। বলেন, ‘বিএনপির সরকারবিরোধী আন্দোলনের রঙিন খোয়াব বাতাসে উবে গেছে। বিএনপি শুধু খোয়াব দেখবে, আন্দোলন হবে না।’ ‘বাংলাদেশের মানুষ এখন পুরোপুরি নির্বাচনের আমেজে (মুডে)। দুটি সিটি করপোরেশনে নির্বাচন হচ্ছে। মানে দুই বিভাগের ভোটাররা এর সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন। এরপরে আরও পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন, সেমিফাইনাল চলছে (নির্বাচনের)-এখন আর আন্দোলনে কাজ হবে না।’ ৭০টি আসন এবং ১০ থেকে ১৫টি মন্ত্রণালয় দিলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করবে জাতীয় পার্টি- দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের এমন বক্তব্যেরও বিষয়েও কাদেরের প্রতিক্রিয়াও জানতে চান সাংবাদিকরা। জবাবে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কে কত আসন পাবে, সেটি বৈঠকে আলাপ-আলোচনা হবে। এসব বিষয় প্রকাশ্যে না বলাই ভালো।’ ‘জোটের শরিক বলে ইচ্ছা মতো আসন চাইবে, এটা হতে পারে না। যেখানে যেখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা জয়ী হওয়ার মতো থাকবেন, সেখানে অবশ্যই মনোনয়ন পাবেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগসহ জোটের সবার ক্ষেত্রে জয়ী হওয়ার মতো প্রার্থী ছাড়া কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না।’ তাহলে কি আবার জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোট হচ্ছে?- এমন প্রশ্নে কাদের বলেন, ‘জোট হবে কি না সেটি এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। বসাবসি শুরু হয়ে যাবে। জেতার মতো প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।’ আর সরকার গঠনের সময় মন্ত্রী দেওয়া না দেওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত দেবেন বলেও জানান ওবায়দুল কাদের। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শনের সময় বাস, অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেল থামিয়ে চালক ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন সড়ক মন্ত্রী। এ সময় বিকাশ পরিবহন নামের একটি বাসের যাত্রীরা মন্ত্রীর কাছে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেন। যাত্রীরা বলেন, বাসটি সরকার নির্ধারিত ৩২ টাকার ভাড়া নিচ্ছে ৫০ টাকা। এ সময় মন্ত্রী বাসটি আটকের জন্য বিআরটিএর লোকজনকে নির্দেশ দেন। যদিও যাত্রী থাকার কারণে বাসটি ছেড়ে দেওয়া হয়। বাসের নম্বরের সাহায্যে বিআরটিএ পরবর্তীতে বাস মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করবে বলেও ওবায়দুল কাদের জানান। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান এর আগে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-২ মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে বিভিন্ন ধরনের ৪০টি গাড়িকে ৭২ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন তারা। এর মধ্যে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বাস এবং মোটরসাইকেল আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat