ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৭-১৫
  • ৫৮৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
দিনাজপুর জেলায় হিলির পাইকারী বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ কেজিতে নামলো ২৩ থেকে ২৬ টাকায়। এতে নিম্মআয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়। 
আজ শনিবার দিনাজপুরসহ ও হিলি স্থলবন্দর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। এদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ পাইকারীতে ২৩ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে।  
দিনাজপুর শহরে বাহাদুর বাজার পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রিয়াজ উদ্দীন জানান, আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করছে। আমদানির পর থেকে ৫০ থেকে ৬০ টাকার পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ২৩ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে। ভারতীয় পেঁয়াজের দাপটে দেশীয় পেঁয়াজ বাজার থেকে উধাও হয়েছে। বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তবে কয়েক দিনের মধ্যে ২০ থেকে ২২ টাকা কেজিতে নামে আসবে পেঁয়াজের দাম।  
অপরদিকে কাঁচা মরিচ বিক্রেতা বিপ্লব শেখ জানান, কাঁচা পণ্য সকালে বাড়ে, বিকেলে কমে। আমরা বেশি দামে কিনলেই বেশি বিক্রি করি। আবার কম দামে কিনলে কম দামেই বিক্রি করে থাকি। সরবরাহ বেশি থাকলে দাম কিছুটা কম হয়। ২ দিন আগে কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা থেকে ১২০ কেজিতে দরে বিক্রয় হয়েছে। আজ শনিবার সেই কাঁচা মরিচ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। কেজিতে বেড়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। তবে সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম আরও কমে আসবে।
এদিকে দিনাজপুর কৃষি অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক নুরুজ্জামান মিয়া জানান, বর্ষাকালিন সময়ে জেলার উচু এলাকায় যে মরিচের চাষ হয় ওই মরিচ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাজারে নামবে। এই মরিচ সরবরাহ হলে মরিচের দাম এত উর্ধ্বমুখী থাকবে না। গ্রাহকের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে মরিচের দাম থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat