ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৩-১৪
  • ২৩৪৫৩২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ভূমি সচিব মো. খলিলুর রহমান বলেছেন, হাটবাজার গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। স্থানীয় শাসন শক্তিশালীকরণ ও স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার লক্ষ্য নিয়েই সরকার হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা প্রণয়ন করছে।
আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০২৪ চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত সভায় ভূমি সচিব একথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, বাণিজ্য, অর্থ, কৃষি, আইন, মুক্তিযুদ্ধ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সচিব আরও বলেন, প্রান্তিক কৃষক ও সীমিত পুঁজির ব্যবসায়ীরাও যাতে হাটবাজারকেন্দ্রিক অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত থাকতে পারেন- সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। 
সভায় জানানো হয়, হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা ২০২৪’র খসড়ায় হাট-বাজার হতে প্রাপ্ত ইজারালব্ধ অর্থের ৪ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয়ের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। বাকি ৫ শতাংশ অর্থ সেলামীসরূপ সরাসরি কেন্দ্রীয় রাজস্বে যুক্ত হবে। হাট ও বাজারের ইজারালব্ধ অর্থের বাকি ৯১ শতাংশ হাট ও বাজার সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, হাট-বাজারের উন্নয়ন ও স্থানীয় সরকার রাজস্ব আয় ইত্যাদি। 
এছাড়া, হাট ও বাজারের পেরিফেরিভুক্ত সরকারি খাসজমিতে বহুতল বিশিষ্ট বিপনীবিতান নির্মাণের বিধানও রাখা হয়েছে খসড়া বিধিতে। 
উল্লেখ্য, হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, ‘হাট ও বাজার’ বা ‘হাট বা বাজার’ শব্দটি এমন কোনও স্থানকে বোঝায়, যেখানে সাধারণ মানুষ কৃষিপণ্য, ফলমূল, পশু, হাঁস-মুরগি, ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, দুগ্ধজাত পণ্য, খাদ্য ও পানীয়, শিল্প পণ্য এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যগুলি দৈনিক ভিত্তিতে বা সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে ক্রয় ও বিক্রয় করে। ঐ স্থানে এই সকল পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য প্রতিষ্ঠিত দোকানও এর অন্তর্ভুক্ত। 
উল্লেখিত আইন অনুযায়ী- হাট ও বাজারের মালিকানা ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপর ন্যস্ত। কালেক্টর তথা জেলা প্রশাসক স্থানীয় কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে। সাধারণত স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের হাতে আওতাভুক্ত উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন হাট ও বাজারের ব্যবস্থাপনা করে থাকে। এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করে কোনো ভূমিতে কোনো হাট ও বাজার স্থাপন করা হলে উক্ত ভূমিসহ ঐখানে স্থিত সমস্ত স্বার্থ বা স্থাপনা সরকার বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী, সারা দেশে মোট হাট-বাজার সংখ্যা ১০ হাজার ২৬৫টি। এর মধ্যে ৭ হাজার ৯৫৫টি ইজারাকৃত হাট ও বাজার থেকে প্রায় ৯৯০ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat