ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৩-২৫
  • ৩৪৪৬১৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
মেঘনা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছে ভৈরব হাইওয়ে থানার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানাসহ তিনজন। তাদের সন্ধান এখনও মিলেনি। বাকি দুইজন হলেন পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানার শিশু পুত্র সন্তান রাইসুল ও বেলন দে নামের একজন।
এদিকে ঘটনার তিনদিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা উদ্ধার না হওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার পিতা মো. আবদুল আলিম। তিনি জানান, এখন কোন সন্ধান মিলেনি আমার ছেলে সোহেল রানা ও নাতনী রাইসুলের। তবে বিআইডব্লিটিএ উপ-পরিচালক ও উদ্ধার ইউনিট প্রত্যয়ের প্রধান ওবায়দুল করিম জানান, মেঘনা নদীর তলদেশে আর কোন মরদেহ নাই। তিনি আরও জানান সাধারণত ২৪ ঘন্টা পর ডুবে যাওয়া মরদেহ ভেসে উঠে। ফলে আমরা নদীর চারদিকে আমাদের টিমের সদস্যরা স্প্রীট বোর্ড  ট্রলার মাধ্যমে ভেসে যাওয়া মরদেহগুলো খুজঁছে।
এ ঘটনায় গত শনিবার রাতে ট্রলারটিকে ধাক্কা দেওয়া বাল্কহেডের সুকানি ও ইঞ্জিন মিস্ত্রিকে আসামি করে নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল মো. সোহেল রানার বাবা মো. আব্দুল আলিম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে মামলার এজহারে আসামিদের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
নৌ-পুলিশের কিশোরগঞ্জ জোনের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মামলাটি ঘটনাস্থলের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় দায়ের করা হয়েছে। তবে নৌ পুলিশ তদন্ত কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি আসামিদের গ্রেপ্তার ও বাল্কহেডটি সনাক্তকরণে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গতঃ গত শুক্রবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মেঘনা নদীতে ২০-২১ জন যাত্রী বহন করা একটি ট্রলারকে অপর একটি অজ্ঞাত বাল্কহেড ধাক্কা দিলে সাথে সাথে ডুবে যায়। এ ট্রলারটি ব্রাহ্মনবাড়িয়ার আশুগঞ্জে চরসোনারামপুর থেকে মেঘনা নদী দিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব নৌকাঘাটে যাচ্ছিল। এ ঘটনায় রোববার পর্যন্ত  ট্রলারের ৬ যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat