ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৪-২৭
  • ৩৪৩২৩৪৬৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সন্ত্রাসী  গোষ্ঠীগুলির প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলির সমর্থনের কারণেই রাশিয়া ও ইরানে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা আশতিয়ানি রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু-এর সাথে আস্তানায় এক বৈঠকে একথা বলেন।
ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিমের উদ্ধৃতি দিয়ে আশতিয়ানি বলেন, “রাশিয়া ও ইরানে সন্ত্রাসী হামলা পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সমর্থনের ফলাফল।”
খবর বার্তা সংস্থা তাসের।
২২ মার্চ সন্ধ্যায়, মস্কো নগরীর সীমানার বাইরে, ক্রাসনোগরস্কের  ক্রোকাস সিটি হল মিউজিক ভেন্যু লক্ষ্য করে একটি সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ১৪৪ জন নিহত ও ৫৫১ জন আহত হয়েছে। সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি কেন্দ্র করে চার বন্দুকধারীসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। রুশ তদন্ত কমিটি বলেছে, সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী ও ইউক্রেনীয় জাতীয়তাবাদীদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে ওই হামলা সংগঠিত হয়েছে।
৩ জানুয়ারি, ২০২৪-এ কেরমান নগরীতে ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত ইউনিট ইসলামিক  রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস-এর কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলায়মানির মৃত্যু বার্ষিকী পালনের এক অনুষ্ঠানে ইরানের মাটিতে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা হয়। ওই হামলায় নিহতের সংখ্যা ছিল ৯৫।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat