ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৪-২৭
  • ৩৪৩২৩৪৪৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সন্ত্রাসী  গোষ্ঠীগুলির প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলির সমর্থনের কারণেই রাশিয়া ও ইরানে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা আশতিয়ানি রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু-এর সাথে আস্তানায় এক বৈঠকে একথা বলেন।
ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিমের উদ্ধৃতি দিয়ে আশতিয়ানি বলেন, “রাশিয়া ও ইরানে সন্ত্রাসী হামলা পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সমর্থনের ফলাফল।”
খবর বার্তা সংস্থা তাসের।
২২ মার্চ সন্ধ্যায়, মস্কো নগরীর সীমানার বাইরে, ক্রাসনোগরস্কের  ক্রোকাস সিটি হল মিউজিক ভেন্যু লক্ষ্য করে একটি সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ১৪৪ জন নিহত ও ৫৫১ জন আহত হয়েছে। সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি কেন্দ্র করে চার বন্দুকধারীসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। রুশ তদন্ত কমিটি বলেছে, সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী ও ইউক্রেনীয় জাতীয়তাবাদীদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে ওই হামলা সংগঠিত হয়েছে।
৩ জানুয়ারি, ২০২৪-এ কেরমান নগরীতে ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত ইউনিট ইসলামিক  রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস-এর কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলায়মানির মৃত্যু বার্ষিকী পালনের এক অনুষ্ঠানে ইরানের মাটিতে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা হয়। ওই হামলায় নিহতের সংখ্যা ছিল ৯৫।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat