ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৮-২৯
  • ৩৪৪৫৫৮৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
লক্ষ্মীপুর জেলার ৫টি উপজেলার বন্যা কবলিত এলাকা থেকে পানি ধীরগতিতে  নামতে শুরু করেছে। জেলায় পানিবন্দি হয়ে আছে প্রায় ৭ লাখ মানুষ। ২৮৫ টি স্থায়ী অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছে ৩৯ হাজার ৫৭২ জন মানুষ। বন্যা কবলিত এলাকা ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে পানিবাহিত নানা রোগ দেখা দিয়েছে। আকস্মিক এ ভয়াবহ বন্যায় মানুষ চুরি ডাকাতির ভয়ে অনেকেই বাড়িতে রয়েছেন। তারা খাবার ও সুপেয় পানির জন্য চারদিকে হাহাকার করছে।
সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বটতলী এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ সেলিম জানান ,গতকাল বুধবারের তুলনায় আমার বসতঘর থেকে দুই থেকে ২ ইঞ্চি পানি কমেছে।
একই এলাকার নাজমুল নাহার বলেন, গত কয়েক দিন ধরে পানিবন্দি হ'য়ে আছি। অনেক দিন পর সূর্যের দেখা মিলছে । জমে থাকা জামা-কাপড় শুকাতে পারছি। ধীরগতিতে পানি নামছে।
লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ-উজ-জামান খান বলেন, বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। তবে মেঘনা নদীর পানি বিপদ সীমার অনেক নিচে আছে।  ধীরগতিতে পানি নামছে। বন্যার পানি ও স্বাভাবিক পানি প্রবাহে বাঁধাসৃষ্টিকারী বেয়ালজালসহ মাছ ধরার নানা জাল বসিয়ে অবৈধভাবে খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। অনেক খালের বাঁধ কেটে দেওয়া হয়েছে। আশা করি খুবই শীঘ্র বন্যার উন্নতি হবে।
এদিকে প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বিএনপি-জামায়াত,সে¦চ্ছাসেবী সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন ও এনজিও  গুলো বন্যার্তদের মধ্যে বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে।
জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান বলেন, জেলায় বর্তমানে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। এ পর্যন্ত স্থায়ী-অস্থায়ী ২৯৫টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৩৯ হাজার ৫৭২ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। জোলার ৫টি উপজেলায় বন্যাদুর্গত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ৭৮৯ মেট্রিক টন চাল, নগদ ১০ লক্ষ টাকার শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া শিশু খাদ্যের জন্য ৫ লাখ ও গো-খাদ্যের জন্য ৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বন্যা কবলিত এলাকার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আরও ১৫০০ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ৩০ লাখ টাকার চাহিদা পাঠানো হয়েছে। চাহিদার পেক্ষিতে ২০ লাখ টাকা পেয়েছি। এ বরাদ্দ দিয়ে বন্যা কবলিত এলাকায় আশ্রয় কেন্দ্রে রান্না করা খাবার ও বাড়িতে য়ারা পানিবন্দি হয়ে আছে তাদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করার জন্য ৫টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সুষম ভাবে বন্টন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat