ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১১-২৪
  • ৪৩৪৩৬৩০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্যালিফোর্নিয়ার ৮৭টি বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪৯ শতাংশ মুসলিম শিক্ষার্থী হয়রানি ও বৈষম্যের শিকার। ক্যালিফোর্নিয়ার কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) 'দ্য স্টেট অব ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটিজ ইন ২০২৪' শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলছে।
শাবেস্তান নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে পার্স টুডে জানিয়েছে, প্রতিবেদনে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইসলামফোবিক ঘটনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৩৭ শতাংশ মুসলিম শিক্ষার্থী ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে শিক্ষাকর্মীদের দ্বারা বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বৈষম্যের শিকার হওয়া ৪৭ শতাংশ শিক্ষার্থী বলেছে, তারা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক।
৩৬ শতাংশ বলেছে, তারা ক্যাম্পাসে স্বাধীনভাবে তাদের রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করতে পারে না।
ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি শুরু হয় এবং বিশ্বের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
মার্কিন পুলিশ এই সময়ের মধ্যে অনেক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দমন করতে বল প্রয়োগ করে। তারা কিছু মুসলিম শিক্ষার্থীকে তাদের হিজাব খুলতেও বাধ্য করে।
গাজায় ইসরায়েলি ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতিবাদ করায় হার্ভার্ড, পেনসিলভানিয়া ও এমআইটি নামের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টকে নিয়েও প্রশ্ন করেন মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা।
গাজার প্রতি সমর্থন প্রদর্শনের জন্য আমেরিকার কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কর্মকাণ্ডেরও নিন্দা জানিয়ে কংগ্রেসে একটি প্রস্তাব পাস হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat