ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ১৯৭০-০১-০১
  • ১৪২৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রতিরক্ষায় গুরুত্ব দিয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, ১১৪টি যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করছে ভারত। এর জন্য দরপত্র আহ্বান করার ব্যবস্থাও সারা। ভারতের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে এটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি।

ভারতের প্রতিরক্ষা বহরে যুদ্ধবিমানগুলো যুক্ত হলে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় দেশটির শক্তি বেড়ে যাবে অনেকখানি। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, চুক্তি হতে পারে এক হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের। এ চুক্তির ব্যাপারে বিশ্বের বড় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলো আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বোয়িং কোম্পানি, লকহিড মার্টিন করপোরেশন ও সুইডেনের সাব এবি। চুক্তি সম্পন্ন হলে যুদ্ধবিমান তৈরির ৮৫ শতাংশ কাজই হবে ভারতে।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন বলছে, ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা নরেন্দ্র মোদি সরকারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। মোদির প্রথম পাঁচ বছরের শাসনকালে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যায়নি ভারত। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে চীন ও পাকিস্তানের তরফ থেকে হুমকি বেড়েছে।

ভারতের পার্লামেন্টে প্রতিরক্ষামন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক বলেছেন, যেসব প্রতিষ্ঠান যুদ্ধবিমান নির্মাণে আগ্রহ দেখিয়েছে, তাদের সম্পর্ক খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। ভারতে বোয়িং কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান হলো হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড ও মাহিন্দ্রা ডিফেন্স সিস্টেমস লিমিটেড। অন্যদিকে ভারতে লকহিডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টাটা গ্রুপ এবং সাব এবির সহযোগী প্রতিষ্ঠান হলো বিলিওনেয়ার গৌতম আদানির কোম্পানি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat