ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৫-০৫
  • ১০৬৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিনিধি:-  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কানাডা সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। আগামী জুনে কানাডার কুইবেকে অনুষ্ঠেয় জি সেভেন সম্মেলনে যোগ দিতে কানাডীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আগ্রহে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কানাডায় বাংলা পত্রিকা নতুন দেশ আজ শনিবার এই খবর প্রকাশ করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিষ্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন বলেও জানানো হয় ওই প্রতিবেদনে। সে দেশের সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের বিষয়টি আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে ধরার জন্য শেখ হাসিনাকে এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কানাডার সরকার প্রধান। ট্রডো চান- জি-৭ সম্মেলনে শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের অবর্ণনীয় অবস্থা তুলে ধরবেন। রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থানের গুণমুদ্ধদের একজন জাস্টিন ট্রুডো। গত এপ্রিলে সাবেক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত দেশগুরোর মোর্চা কমনওয়েল শীর্ষ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে প্রশংসায় ভাসান তিনি। যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের সরকার প্রধানদের বৈঠকের প্রথম নির্বাহী অধিবেশনে ট্রুডো বলেন, ‘রোহিঙ্গা শরণার্থী সামাল দেয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষ নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। কমনওয়েলথ নেতৃবৃন্দকে অবশ্যই তাকে সমর্থন দিতে হবে।’ শেখ হাসিনা সবশেষ ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে কানাডা সফর করেন। ওই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর দেশটির মন্ট্রিয়ালের ‘ফিফথ রিপ্লেসমেন্ট কনফারেন্স অব দ্য গ্লোবাল ফান্ড-জিএফ সম্মলনে যোগ দেন তিনি। সে সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রীর ট্রুডোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন শেখ হাসিনা। ট্রুডো পরিবারের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সুসম্পর্ক রয়েছে। জাস্টিনের বাবা পিয়েরে এলিওট ট্রুডো ১৯৭১ সালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। আর এ জন্য পিয়েরেকে ‘মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ দিয়েছে বাংলাদেশ। দুই বছর আগে কানাডা সফরে গিয়ে বাবার সম্মাননা ছেলের হাতে তুলে দেন শেখ হাসিনা। কানাডায় অবস্থানকারী বঙ্গবন্ধুন খুনি নূর চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও সে সময় দেশটির সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। কানাডা মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী। কিন্তু নূর চৌধুরীকে এই দণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত। তাই তাকে ফিরিয়ে আনা নিয়ে জটিলতা আছে। যদিও সরকার এ বিষয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat