ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০১৭-০৫-০৬
  • ৫৮৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
এই দশ দিনের ব্যবধানে চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ৮ টাকা
 রাশেদুল ইসলাম : – এই দশ দিনের ব্যবধানে চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ৮ টাকা । এদিকে বিশ্ববাজারে সদ্য শেষ হওয়া এপ্রিলে খাদ্যসামগ্রীর দাম কমেছে। চিনি, ভোজ্য তেলসহ প্রধান প্রধান খাদ্যসামগ্রীর উৎপাদন ও সরবরাহে যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকায় বাজারে এ প্রভাব পড়েছে। গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এ তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, গড় খাদ্য সূচকে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে চিনি। পণ্যটির দর ৯ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে।
কিন্তু বাংলাদেশের বাজারে চিনির দাম দিন দিন বেড়েই চলেছে। সিটি র্কপোরশনের উচিত এই বিষয়ে নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া। একই সাথে সকল পণ্যের মূল্যতালিকা দোকানে বড় করে ঝুলিয়ে রাখা।  ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়লে খুচরা বিক্রেতাদের কিছু করার থাকে না। এদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছে, মিলে চিনির দাম বাড়িয়ে দেওয়ার করণেই মূলত চিনির দাম বাড়ছে। তারা আরো বলেছে, দেশে দশটির মতো কোম্পানি ভোগ্য পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। তারাই কৃত্রিম সংকট তৈরি করে চিনির  দাম বাড়াচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মোটা স্বর্ণা চাল কেজি প্রতি ৩ টাকা বেড়ে গতকালের বাজারে বিক্রি হয়েছে ৪৫ টাকা দরে, পারিজা চাল ৪৪-৪৫ টাকা, মিনিকেট (ভালো মানের) ৫৬-৫৭ টাকা, মিনিকেট (সাধারণ) ৫৩-৫৪ টাকা, বিআর ২৮ ৪৮-৫০ টাকা, সাধারণ মানের নাজিরশাইল ৬ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৫৪ টাকা ও উন্নত মানের নাজিরশাইল ৫৬ টাকা। এছাড়া পাইজাম চাল কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৪৮-৫০ টাকা, বাসমতি ৫৬ টাকা, কাটারিভোগ ৭৬-৭৮ টাকা, হাস্কি নাজির চাল ৪১ টাকা এবং পোলাও চাল ১০০ (পুরাতন), নতুন ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।গত কয়েক সপ্তাহের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ ও রসুন। দেশি রসুন বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। এছাড়া ভারতীয় রসুন  কেজিতে ২৩০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। মুদি পণ্যের দামও ঊর্দ্ধমুখী। বাজারে ছোলা ও ডালের দাম নতুন করে আবার এক ধাপ বেড়েছে। গত সপ্তাহে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া ছোলা বাজারে ৯৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মুগ ডালের দাম গত সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা বাড়ার পর বাজারে আরও ৫ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা দরে; ভারতীয় মুগ ডাল ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাসকলাই ১৩৫ টাকা, দেশি মসুর ডাল ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১২৫ টাকা ও ভারতীয় মসুর ডাল ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে প্রায় সব ধরনের ভোজ্য তেল। বাজারে ৫ লিটারের বোতল ব্র্যান্ড ভেদে ৫০০ থেকে ৫১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি লিটার ভোজ্য তেল ১০০ থেকে ১০৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সূত্র:ইনকিলাব অনলাইন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat