ব্রেকিং নিউজ :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী এমপি আমির হামজাকে ফের লিগ্যাল নোটিশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২,৮৪২ সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু : শিক্ষামন্ত্রী এক সপ্তাহের মধ্যেই বিদ্যুতের লোডশেডিং কমে আসবে : প্রতিমন্ত্রী শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মায়ের দুধের বিকল্প নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংবাদপত্রের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সাংবাদিকতার প্রধান শর্ত : প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান
  • প্রকাশিত : ২০১৮-১০-০৮
  • ৪০৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বাত এবং ডায়াবেটিসের কারণে খালেদা জিয়ার বাম হাত বাঁকা হয়ে গেছে :মেডিকেল বোর্ডের প্রধান
নিজস্ব প্রতিনিধি:-বাত এবং ডায়াবেটিসের কারণে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বাম হাত বাঁকা হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড। সোমবার বেলা সোয়া ১টার দিকে খালেদা জিয়ার কেবিন পরিদর্শন শেষে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা এসব কথা বলেন। মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডাঃ এম এ জলিল চৌধুরী বলেন, এটি বাতের কারণে হয়েছে। কারণ, এ রোগে তিনি ৩০ বছর ধরে ভুগছেন। যার ফলে উনার বাম হাত বাঁকা হয়ে গেছে। ডাঃ জলিল বলেন, বাতের জন্য খালেদা জিয়ার যে পরিমাণ ওষুধ খাওয়া দরকার ছিলো ঠিক সে পরিমাণে খাওয়া হয়নি। যার ফলে এ সমস্যা শুরু হয়েছে। এজন্য তার বাম হাত অবশ ও বাঁকা হয়ে গেছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার প্রধান সমস্যা হলো জয়েন্টপেইন কোমরে, মাজায়, হাতেও ব্যথা। এছাড়াও তিনি ডায়াবেটিস, এ্যাজমা সহ নানান রোগে ভুগছেন। তার হাই পেশারের সমস্যা আছে। তার হাঁটু প্রতিস্থাপন করার কারণে হাঁটুতেও সমস্যা আছে। তিনি আরো বলেন, আমরা খালেদা জিয়াকে যখন কারাগারে দেখতে গিয়েছিলাম তখন উনাকে পিজিতে ভর্তি হতে বলেছিলাম। বলেছিলাম, ভালো চিকিৎসা চাইলে আমাদের উপর আস্থা রাখতে পারেন। এসময় ডাঃ আতিকুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার মূল চিকিৎসা শুরুর আগে আমাদের ২ সপ্তাহ প্রাথমিক পরীক্ষা করা লাগবে। আমরা এরই মাঝে কিছু পরীক্ষা দিয়েছি সেগুলো আসার পর মূল চিকিৎসা শুরু হবে। তবে ডায়াবেটিস না কমলে তার মূল চিকিৎসা শুরু করা যাবে না। তাই ২ সপ্তাহ পরই যে পরীক্ষা শুরু হবে সেটি এখনও বলা যাচ্ছে না। যে সমস্যা গুলো আছে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ আসলে তখন মূল চিকিৎসা শুরু হবে। তাকে কতদিন হাসপাতালে থাকতে হবে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যাবে না। তবে এ ক্ষেত্রে রোগীরও সহযোগিতা লাগবে। কারণ রোগীর সহযোগিতা ছাড়া চিকিৎসা সম্ভব না। আর ফিজিওথেরাপির বিষয়ে জনতে চাইলে তিনি বলেন, কাল থেকে খালেদা জিয়ার ফিজিওথেরাপি শুরু করা হবে। বোর্ডের সভাপতি মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এম এ জলিল চৌধুরীর সাথে আরো ছিলেন অধ্যাপক ডঃ সৈয়দ আতিকুল হক (নিউমটোলিজ), ডাক্তার তানজিমা ও পিজিক্যাল মেডিসিনের সহকারী অধ্যাপক বদরুন্নেসা। এছাড়াও খালেদা জিয়ার ভাগিনা ও ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডাক্তার মামুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat