ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০২-১৬
  • ২৮২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ইয়াবার প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত কঠোরভাবে সুরক্ষিত করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক:– স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মিয়ানমার থেকে দেশের অভ্যন্তরে ইয়াবার চালান প্রবেশ ঠেকাতে বাংলাদেশের সীমান্ত কঠোরভাবে সুরক্ষিত করা হবে। তিনি বলেন, ইয়াবা চোরাচালান বন্ধে বিভিন্ন সময় মিয়ানমার সরকারকে বলা হয়েছে, তবে তারা আমাদের অনুরোধের সাড়া দেননি। তাই, সরকার আমাদের সীমানা সুরক্ষিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারণ উখিঁয়া ও টেকনাফসহ ১৯৩টি পয়েন্টে চোরাচালানের মাধ্যমে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলি দেশে প্রবেশ করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ শনিবার দুপুরে কক্সবাজারের টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পুলিশের কাছে মাদক পাচারকারীদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা জানান। এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে ১০২ জন মাদক পাচারকারী পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে। যারা এখনও ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আগেই পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করার আহবান জানান। অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী তাঁর স্বাগত বক্তব্য বলেন, মাদক পাচারকারীরা আত্মসমর্পণের প্রতীক ফুলের বিনিময়ে ৩০ কেজি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৩০টি অস্ত্র হিসেবে জমা দিয়েছে। আইজিপি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য এই অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে মন্ত্রণালয় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। পুলিশ প্রধান ড. জাবেদ পাটোয়ারি মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে বলেন, যারা আত্মসর্মপণ করবে পুলিশ হেফাজতে তাদের আইনী সহায়তা দেয়া হবে। আমরা স্বল্প সময়ের মধ্যে তাদের মামলাগুলি শেষ করার চেষ্টা করবো। এই অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল গোলাম ফারুক ও কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনসহ পুলিশের উর্ধ্বত্মন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat