ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৩-২০
  • ৬৭২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ছিলেন আওয়ামী লীগের এক অকুতোভয় সৈনিক। তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন।
আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে প্রায়ত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্মরনে আয়োজিত এক স্মরন সভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রায়ত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটি এই স্মরণ সভার আয়োজন করে।
বর্তমান সময়ে জিল্লুর রহমানের খুব প্রয়োজন ছিলো উল্লেখ করে মতিয়া চৌধুরী বলেন, তিনি সব সময়ে তাঁর কর্তব্য একনিষ্ঠভাবে পালন করেছেন। আমাদের চিন্তা-চেতনায় জিল্লুর রহমান একজন সফল রাজনীতিবিদ ও সফল নেতা হিসেবে রয়েছেন। সবাইকে নিয়ে চলার যে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এটা সুন্দরভাবে মৃত্যুর আগপর্যন্ত জিল্লুর ভাই পালন করে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনর পাশে আজকে তাঁর থাকার প্রয়োজন ছিলো।
তিনি বলেন, জিল্লুর রহমান সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মগ্রহণ করেননি। তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন, মন্ত্রী ছিলেন কিন্তু তাঁর পেছনে অনেক বড় সংকল্প কাজ করেছে। সবার স্নেহ, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিয়েই তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন।
মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটির সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সস্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, পানি-সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, যেখানে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মতো নেতা ভোটে পাস করেছেন, আর সেখানের মানুষ সাম্প্রদায়িক চেতনার দ্বারা আচ্ছান্ন হবে এটা অবিশ্বাস্য এবং এটা গভীর ষড়যন্ত্র। আজকে সুনামগঞ্জ কেন সবখানেই স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি বা অপশক্তি ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করছে। প্রত্যেকের দায়িত্ব এই অপশক্তি বা সাম্প্রদায়িক চেতনাকে রুখে দাঁড়ানো।
মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, আজকে বিএনপির নেতারা গণতন্ত্রের কথা বলে, আমি সবসময় বলি আর যাই হোক বিএনপির মত সন্ত্রাসী দলের মুখ থেকে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না এবং জাতি শুনতেও চায় না। এই দল ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশে সন্ত্রাসী তান্ডব চালিয়েছিল। গণতন্ত্র কবর দিয়েছিলো।
প্রায়ত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, জিল্লুর রহমান সাহেব শেখ মুজিবের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। তিনি রাজনীতির কারণে কখনো আওয়ামী লীগ, স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা এই চারটি বিষয়ে কখনো কারো সঙ্গে আপোস করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat