ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৩-২৩
  • ৮২১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ৫৫ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মরণোত্তর তাদের পরিবারকে সংবর্ধনা দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ।
আজ দুপুরে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নব নির্বাচিত মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী।
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালামের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপ-সচিব) শাব্বির ইকবাল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ করা হয়। আমাদের দেশে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রয়েছে, মুক্তিযুদ্ধা কাউন্সিল রয়েছে তারা ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য কোন উদ্যোগ নেয়নি।
বেলারুশের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেখানে যখন হিটলার বাহিনী আক্রমণ করেছিল, বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করেছিল, সে দেশের সরকার সেগুলো সংরক্ষণ করেছে। আজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ভিজিটররা যায় সে গুলো দেখার জন্য। আমাদের দেশে এ রকম বিভিন্ন জায়গায় স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে। তাহলে আগামী প্রজন্ম এসব দেখে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানবে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হলেও ৭ মার্চ প্রকৃত স্বাধীনতা দিবস বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চসিক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, যাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে হবে আমাদের। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাঙালি জাতি কখনো স্বাধীনতা অর্জন করতে পারতো না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চ ভাষণের মাধ্যমে বাঙ্গালি জাতিকে প্রেরণা এবং দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জেলা পরিষদের সচিব মো. রবিউল হাসানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম, সাবেক গণপরিষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আবু মনসুর, যুদ্ধকালীন বিএলএফ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. মঈনুদ্দিন, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক চৌধুরী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুস।
অনুষ্ঠান শেষে ৫৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মরণোত্তর তাদের পরিবারের হাতে সম্মাননা তুলে দেন ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat