ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৫-০৭
  • ৬৯৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি তার দেশে শরণার্থীদের প্রবেশাধিকার ২০২১ সালে ৬২ হাজার ৫ শ’ এবং ২০২২ সালে ১ লাখ ২৫ হাজার ঘোষণা করায় যুক্তরাষ্ট্র জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের একটি বড় সংখ্যা গ্রহণ করার কথা বিবেচনা করতে পারে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
রাষ্ট্রদূত জানান, ২০২১ সালের ১৮ মে জেনেভায় বার্ষিক যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা (জেআরপি) আসন্ন উদ্বোধনের সময় যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক অভিযানে বড় অবদানের জন্য আবার অঙ্গীকার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাইডেন প্রশাসনের মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা সম্পর্কে চলমান তদন্তে বাংলাদেশের সহযোগিতার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষকে ও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন ড. মোমেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী ছাত্র ভিসা আবেদনকারীর ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে ভিসা সাক্ষাৎকারের তারিখ পেতে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, তা সমাধানের জন্য মার্কিন দূতের প্রতি আহ্বান জানান। বিলম্বের কারণে অনেকে ভর্তি ও বৃত্তি হারাতে পারেন।
মিলার নিশ্চিত করার জন্য সর্বোত্তম করার আশ্বাস দিয়েছেন যে, লকডাউন শেষ হয়ে গেলে সমস্ত ছাত্র ভিসা আবেদনকারীরা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ইন্টারভিউ স্লট পাবেন, যাতে তারা সময় মতো মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাদের একাডেমিক সেশনে যোগ দিতে পারেন।
বৈঠকে বর্তমান ঘাটতি দূর করতে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার মূল বিষয় ছিল।
ড. মোমেন উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন প্রায় ৪০ লাখ ডোজটিকা, কিন্তু মার্কিন সরকার তার স্টক থেকে বাংলাদেশকে ২০ মিলিয়ন অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত আশ্বাস দেন যে, তার সরকার আন্তরিকভাবে এই প্রস্তাবের উপর কাজ করছে, যদিও এই মুহুর্তে কোনও সময়সীমা অনুমান করা কঠিন।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ভারতকে কোনও অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা সরবরাহ করতে পারেনি এবং আশা করি ভারত যে সময় পাবে বাংলাদেশও সেই একই সময়ে এই টিকা পাবে।
মোমেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় টিকার জন্য মেধাস্বত্ব মওকুফকে সমর্থন করার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ঘোষণাকে স্বাগত জানান এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এর ফলে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলো অদূও ভবিষ্যতে মার্কিন টিকা উৎপাদন করতে সক্ষম হবে।
২০২১ সালের নভেম্বরে গ্লাসগোতে নির্ধারিত ইউএনএফসিসিসি-র কোপ-২৬-এর আগে এবং সময়কালে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন এবং প্রশমনের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে শক্তিশালী করার উপযোগী করা ও প্রশমন নিয়েও মোমেন এবং মিলার আলোচনা করেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলসহ জাতিসংঘ ব্যবস্থায় বিভিন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সমর্থন ও পর্যালোচনা করেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat