ব্রেকিং নিউজ :
কার্যকরভাবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য ইরানী কূটনীতিকের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শিগগিরই বিদ্যুৎ পাচ্ছেন চরের অবশিষ্ট মানুষ বাংলাদেশের জলবায়ু প্রকল্পে এএসইএম অংশীদারদের বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর খালেদা জিয়াকে যদি স্লো পয়জনিং করা হয় তাহলে হুকুমের আসামী হবেন ফখরুল : ওবায়দুল কাদের সন্ত্রাসবাদ দমনে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী সিলেটকে চিকিৎসা সেবার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামে ফায়ার সার্ভিস কর্মীর মৃত্যু করোনায় চট্টগ্রামে নতুন ৫ জন শনাক্ত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র: রাষ্ট্রপতি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চারিত করেছিল: প্রধানমন্ত্রী
  • আপডেট টাইম : 14/11/2021 11:13 PM
  • 16 বার পঠিত
ছবি-সংগৃহীত

সাবেক স্বামী পাইলট এস এম পারভেজ সানজারিকে এসিড নিক্ষেপের মামলায় সঙ্গীতশিল্পী মিলা ও তার সহযোগি কিম জন পিটার হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। 
রোববার ঢাকার এসিড দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূইয়া তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। 
ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আনোয়ার উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 
২০১৯ সালের ৪ জুন মিলার সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারির বাবা এস এম নাসির উদ্দিন সংগীতশিল্পী মিলা এবং কিম জন পিটার হালদারের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন। 
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সঙ্গীতশিল্পী মিলার সাবেক স্বামী এস এম পারভেজ সানজারির ওপর এসিড ছুড়ে মারার সঙ্গে আসামি কিম জন পিটার জড়িত আছেন বলে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঘটনার আগে ২৬ মে আসামি কিম মিরপুর ডিওএইচএস সরকার মার্কেটের হার্ডওয়্যারের দোকান থেকে এসিড কেনেন।
পরে মামলার অপর আসামি সঙ্গীতশিল্পী মিলার সঙ্গে পরামর্শ করে ২৭ মে এসিডসহ এস এম পারভেজ সানজারির বাসার সামনে যান কিম। কিন্তু সেদিন বাসার সামনে সানজারিকে না পেয়ে ফিরে আসেন। আসামি মিলার কথামতো অজ্ঞাত আসামিকে সঙ্গে নিয়ে ২ জুন সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে সানজারির বাসার সামনে যান কিম। সানজারির মোটরসাইকেলের সামনে আসে কিম সানজারিকে বলেন, ‘আমাকে বাঁচান, আমাকে মেরে ফেলবে।’ কিন্তু সানজারি কিম জনকে চিনে ফেলেন। সানজারি বাসার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে কিম এসিড ছুড়ে পালিয়ে যান। এসিডে সানজারির শরীরের ৮ থেকে ১০ শতাংশ পুড়ে যায় বলে জানান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক। 
২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিলা ও তার সহযোগির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...