ব্রেকিং নিউজ :
বাংলাদেশ-ভারত জেসিসি বৈঠক ১৯ জুন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে আহবান প্রতিমন্ত্রীর কাট কপি পেস্ট বাদ দিয়ে মৌলিক গবেষণার দিকে জোর দিতে হবে : বিএসএমএমইউ উপাচার্য দারিদ্র বিমোচনে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের বিকল্প নেই : ঢাবি উপাচার্য বিএনপি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে : ওবায়দুল কাদের পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কবরে সমাজকল্যাণ সচিবের শ্রদ্ধাঞ্জলি বিএনপি নৈরাজ্য করলে আওয়ামী লীগ প্রতিরোধ করবে :তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাতীয় উৎপাদনশীলতা পুরস্কার-২০২০ পাচ্ছে ২৬টি প্রতিষ্ঠান বিদ্রোহ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ধন্যবাদ
  • আপডেট টাইম : 11/05/2022 07:25 PM
  • 12 বার পঠিত

বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দুই মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামি ২৬ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।
‘ভূয়া’ জন্মদিন উদযাপন ও মহান মুক্তিযুদ্ধকে ‘কলঙ্কিত’ করার অভিযোগে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মানহানির দুই মামলায় এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম (এসিএমএম) আসাদুজ্জামান নুরের আদালতে এ দুই মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় তার পক্ষে সময়ের আবেদন করেন আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন এই দিন ধার্য করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধকে ‘কলঙ্কিত’ করার অভিযোগে বলা হয়, ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে জোট করে নির্বাচিত হয়ে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারপার্সন। তিনি (খালেদা জিয়া) রাজাকার-আলবদর নেতা-কর্মীদের মন্ত্রী ও এমপি বানিয়ে তাদের বাড়ি-গাড়িতে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকা তুলে দেন।
২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির এ মামলা করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী। আদালত ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
পরের বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক মশিউর রহমান (তদন্ত) অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলার অন্য আসামি বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান মৃত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
আর ভূয়া জন্মদিন পালন মামলার অভিযোগে বলা হয়, খালেদা জিয়ার একাধিক জন্মদিন নিয়ে ১৯৯৭ সালে দু’টি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর এসএসসি পরীক্ষার মার্কশিট অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর।
১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে একটি দৈনিকে তার জীবনী নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জন্মদিন ১৯৪৫ সালের ১৯ আগস্ট লেখা হয়। তার বিয়ের কাবিননামায় জন্মদিন ১৯৪৪ সালের ৪ আগস্ট। সর্বশেষ ২০০১ সালে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট অনুযায়ী, তার জন্মদিন ১৯৪৬ সালের ৫ আগস্ট।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিভিন্ন মাধ্যমে তার পাঁচটি জন্মদিন পাওয়া গেলেও কোথাও ১৫ আগস্ট জন্মদিন পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় তিনি পাঁচটি জন্মদিনের একটিও পালন না করে ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীর দিন অর্থাৎ জাতীয় শোক দিবসে (১৫ আগস্ট) আনন্দ-উৎসব করে জন্মদিন পালন করে আসছেন।
২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই এ দুই মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ খালেদার জামিন মঞ্জুর করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...