ব্রেকিং নিউজ :
বাংলাদেশ-ভারত জেসিসি বৈঠক ১৯ জুন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে আহবান প্রতিমন্ত্রীর কাট কপি পেস্ট বাদ দিয়ে মৌলিক গবেষণার দিকে জোর দিতে হবে : বিএসএমএমইউ উপাচার্য দারিদ্র বিমোচনে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের বিকল্প নেই : ঢাবি উপাচার্য বিএনপি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে : ওবায়দুল কাদের পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কবরে সমাজকল্যাণ সচিবের শ্রদ্ধাঞ্জলি বিএনপি নৈরাজ্য করলে আওয়ামী লীগ প্রতিরোধ করবে :তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাতীয় উৎপাদনশীলতা পুরস্কার-২০২০ পাচ্ছে ২৬টি প্রতিষ্ঠান বিদ্রোহ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ধন্যবাদ
  • আপডেট টাইম : 11/05/2022 07:39 PM
  • 15 বার পঠিত

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ওসেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো ব্যর্থ নেতাদের পদত্যাগ করে বঙ্গোপসাগরে ঝাঁপ দেয়া উচিত।
আজ বুধবার রাজধানীর বনানীতে সেতু ভবনে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বোর্ড সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
‘আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারেরও শ্রীলংকার মত অবস্থা হবে’ মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল নির্বাচনে ব্যর্থ। আন্দোলনেও ব্যর্থ। সময় মতো সম্মেলন করতে পারে না। তার পদত্যাগ করা উচিত। বঙ্গোপসাগরে ঝাঁপ দেয়া দরকার। আপনারা তাকে জিজ্ঞাসা করুন- এতো দগদগে ব্যর্থতা নিয়ে ঝাঁপ দিচ্ছেন না কেন?’
তিনি বলেন, শ্রীলংকার পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি আত্মতুষ্টিতে ভুগছে। তবে বাস্তবতা এক নয়। তারা নিজেদের অতীতের ব্যর্থতা আড়াল করতে কখনও আরব বসন্তে ভর করে, কখনও হেফাজতে ভর করে, এরপর কোটা বিরোধী আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনেও স্বপ্ন দেখেছিল। এসব বিষয় অক্ষম, মেরুদন্ডহীন বিএনপির সাময়িক আত্মতুষ্ঠিতে ভোগা ছাড়া কিছু নয়।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অংশ গ্রহণ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বলেন, গত নির্বাচনের আগেও বিএনপি অংশ নেবে না বলে জানিয়েছিল। শেষে ঠিকই তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। পানি ঘোলা করে হলেও পানি তারা খেয়েছে, সংসদেও গিয়েছে। কিন্তু ফখরুল সাহেব কান্ডজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন সংসদে না গিয়ে। তিনি নির্বাচনে জিতেছেন, নির্বাচিতদের সংসদে পাঠিয়েছেন। কিন্তু নিজে যাননি। কোন রহস্যের কারণে তিনি সংসদে যাননি জাতি জানতে পারেনি।
ইভিএম প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের। এখানে আওয়ামী লীগ জোর করে কিছু চাপিয়ে দিচ্ছে না। তবে আওয়ামী লীগ কমিশনের সঙ্গে সংলাপে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, আমরা ৩০০ আসনে ইভিএম চাই। আওয়ামী লীগ সেটা দাবি করতে পারে, কিন্তু নির্বাচন কমিশন কি সিদ্ধান্ত নেবে সেটা তাদের বিষয়।
নির্বাচনে যেন জালিয়াতি-কারচুপির রেশ না থাকে সেজন্যই আওয়ামী লীগ ইভিএম চেয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে ইভিএম চালু করেছে। এটা আধুনিক ব্যবস্থা, যেখানে জালিয়াতি কারচুপির সুযোগনেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...