ব্রেকিং নিউজ :
বাংলাদেশ-ভারত জেসিসি বৈঠক ১৯ জুন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে আহবান প্রতিমন্ত্রীর কাট কপি পেস্ট বাদ দিয়ে মৌলিক গবেষণার দিকে জোর দিতে হবে : বিএসএমএমইউ উপাচার্য দারিদ্র বিমোচনে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের বিকল্প নেই : ঢাবি উপাচার্য বিএনপি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে : ওবায়দুল কাদের পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কবরে সমাজকল্যাণ সচিবের শ্রদ্ধাঞ্জলি বিএনপি নৈরাজ্য করলে আওয়ামী লীগ প্রতিরোধ করবে :তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাতীয় উৎপাদনশীলতা পুরস্কার-২০২০ পাচ্ছে ২৬টি প্রতিষ্ঠান বিদ্রোহ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ধন্যবাদ
  • আপডেট টাইম : 11/05/2022 07:45 PM
  • 15 বার পঠিত

করোনার ভূয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজন নিজেদের নির্দোষ দাবী করে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেছেন।
বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন। এরপর আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিউপস্থাপনের জন্য ২৫ মে দিন ধার্য করেন। যুক্তিউপস্থাপন শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য হবে।
এরআগে বুধবার (২০ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে সাক্ষ্য দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভুইয়া। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন। আদালত আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য এদিন ধার্য করেন। মামলাটিতে ৪০ জনের মধ্যে ২৬ জন বিভিন্ন সময় সাক্ষ্য দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয়। এর বেশিরভাগই ভূয়া বলে ধরা পড়ে। এ অভিযোগে ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
২০২০ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনা ও আরিফসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। চার্জশিটভূক্ত অন্য আসামিরা হলেন, আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। চার্জশিটে সাবরিনা ও আরিফকে প্রতারণার মূলহোতা বলে উল্লেখ করা হয়। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছেন।
একই বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...