ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘসূত্রিতা, অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সাথে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ দেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যেতে তৈরি হও : নতুন প্রজন্মের প্রতি প্রধানমন্ত্রী বন্যার্ত মানুষের চিকিৎসা সেবায় মাঠে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ সময়োচিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারলে প্রতিষ্ঠান দ্রুত এগিয়ে যাবে : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী দক্ষতা অর্জনে উন্নত প্রশিক্ষণের বিকল্প নাই : বিএসএমএমইউ উপাচার্য সেবা নিতে এসে একজনও যেন বিমুখ না হন : শিক্ষামন্ত্রী টিপু হত্যা : শুটার মুসার দায় স্বীকার এসএমই খাতকে শক্তিশালী করতে সরকার সহযোগিতা দিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী প্রথম ৮ ঘন্টায় ১৫ হাজার ২০০ যানবাহন পারাপার
  • আপডেট টাইম : 16/06/2022 10:34 PM
  • 8 বার পঠিত

সংবিধানে সন্নিবেশিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণে শতাধিক ভুল পেয়েছে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইন মন্ত্রণালয় থেকে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
রিটকারী আইনজীবী এডভোকেট সুবীর নন্দী দাস বিষয়টি নিশ্চিত করে বাসস'কে বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চে যে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছেন- সংবিধানে তা হুবহু দেয়া হয়নি। সংবিধানে সন্নিবেশিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণে শতাধিক ভুল পেয়েছে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি।
২০২০ সালের ১০ মার্চ সংবিধানে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ভুলভাবে সন্নিবেশিত হয়েছে কি-না, তা যাচাই করতে একটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ৭ মার্চের ভাষণের সময় উপস্থিত থাকা ব্যক্তিসহ বিশিষ্টজনদের এ কমিটিতে রাখতে বলা হয়েছিল। এছাড়া সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে থাকা ভাষণের সঙ্গে এ সংক্রান্ত সকল অডিও-ভিডিও পর্যালোচনা করে, একটি প্রতিবেদনও আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। একইসঙ্গে সংবিধানে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের সঠিক ভাষণ কেন অন্তর্ভুক্ত করা হবে না, তা জানতে চেয়ে ৪ সপ্তাহের রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
২০২০ সালের ৫ মার্চ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস এ রিট দায়ের করেন। রাজবাড়ীর রায়নগর গ্রামের কাশেদ আলীর পক্ষে তিনি এ রিটটি দায়ের করা হয়। রিটে সংবিধানে থাকা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ভুলটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়। পাশাপাশি সংবিধানে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের পূর্ণাঙ্গ ভাষণটি বাংলা ও ইংরেজিতে অন্তর্ভুক্তি চাওয়া হয়। রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...