ব্রেকিং নিউজ :
ভোলায় ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান’ সফল করতে চলছে প্রচার-প্রচারণা ধর্মকে ব্যবহার করে কেউ যাতে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে না পারে সেজন্য সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সকল শিক্ষকের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জনগণই হচ্ছে আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি : পরিকল্পনা মন্ত্রী কুমিল্লায় অনিয়মের অভিযোগে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা আগামীকাল সংবাদ সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির মুখে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা শোভা পায় না : ওবায়দুল কাদের স্মার্ট টেকনোলজি দেশকে আরও গতিশীল করবে : জাহিদ ফারুক দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে দু’জনের মৃত্যু আইসিসির ‘মাস সেরা’ পুরস্কারে মনোনীত বাংলাদেশের নিগার
  • আপডেট টাইম : 13/09/2022 05:48 AM
  • 12 বার পঠিত

দু’মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। ‘ভূয়া’ জন্মদিন পালন ও মুক্তিযুদ্ধকে ‘কলঙ্কিত’ করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে পৃথক এই মামলা করা হয়।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম (এসিএমএম) তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে এ দু’মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় তার পক্ষে সময়ের আবেদন করেন আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ দিন ধার্য করেন।
মুক্তিযুদ্ধকে ‘কলঙ্কিত’ করার অভিযোগে করা মামলার বিবরণীতে বলা হয়, ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে জোট করে নির্বাচিত হয়ে সরকারের দায়িত্ব নেন খালেদা জিয়া। তিনি রাজাকার-আলবদর নেতাদের মন্ত্রী-এমপি বানিয়ে তাদের বাড়ি-গাড়িতে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকা তুলে দেন।
২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির এ মামলা করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী। আদালত ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
পরের বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক মশিউর রহমান (তদন্ত) অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলার অন্য আসামি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে ‘ভূয়া’ জন্মদিন পালনের অভিযোগে করা মামলায় বলা হয়, খালেদা জিয়ার একাধিক জন্মদিন নিয়ে ১৯৯৭ সালে দু’টি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসএসসি পরীক্ষার মার্কশিটে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর জন্মতারিখ ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর।
১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে একটি দৈনিকে তার জীবনী নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জন্মদিন ১৯৪৫ সালের ১৯ আগস্ট লেখা হয়। আর বিয়ের কাবিননামায় জন্মদিন উল্লেখ করা হয় ১৯৪৪ সালের ৪ আগস্ট। সর্বশেষ ২০০১ সালে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট অনুযায়ী খালেদা জিয়ার জন্মদিন ১৯৪৬ সালের ৫ আগস্ট।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, বিভিন্ন মাধ্যমে তার পাঁচটি জন্মদিন পাওয়া গেলেও কোথাও ১৫ আগস্ট জন্মদিনের তথ্য পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় তিনি পাঁচটি জন্মদিনের একটিও পালন না করে ১৯৯৬ সাল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর দিন জাতীয় শোক দিবসে (১৫ আগস্ট) আনন্দ-উৎসব করে কেক কেটে জন্মদিন পালন করে আসছেন।
‘ভূয়া’ জন্মদিন পালনের অভিযোগে ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম বাদি হয়ে এ মামলা করেন। ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই এ দু’মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ খালেদা জিয়ার জামিন মঞ্জুর করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...