ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৫-১৭
  • ৪৫৫৬৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন যে বর্তমান পায়রা, মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরসহ পরিকল্পিত মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দর ভারত, নেপাল, ভুটান ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার জন্য ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে সাহায্য করতে পারে। তিনি আজ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্স (এসআইপিজি)’র দ্য সেন্টার ফর পিস স্টাডিজ (সিপিএস) আয়োজিত ‘হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর: বাংলাদেশ, জাপান, ভারত- ত্রিপক্ষীয় অংশীদারিত্বের নতুন সম্ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তৃতা করছিলেন। 
অনুষ্ঠানে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দরের প্রভাব বিষয়ে যৌথভাবে সানেম ও শিলং-ভিত্তিক ভারতীয় থিংক ট্যাংক এশিয়ান কনফ্লোয়েন্স পরিচালিত একটি সমীক্ষা উপস্থাপন করেন। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরে কার্যক্রম শুরু হলে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ১৪ শতাংশ বাড়বে এবং প্রায় লক্ষাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। জাপান মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর বাস্তÍবায়ন করছে এবং পাশাপাশি ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে  বিনিয়োগ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক জাপান সফরকালে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভ্যালু চেইন সৃষ্টি এবং  মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে উত্তর-পূর্ব ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশে সংযোগ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। 
বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিাল গ্রোথ বেল্ট (বিআইজি-বি) উদ্যোগ অনুযায়ী, জাপান ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার বেল্ট ও এর বাইরে উন্নয়নশীল অর্থনৈতিক অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত করা, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করা এবং সংযোগ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে শিল্প সমাবেশ ত্বরান্বিত করতে চায়। 
আলোচনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি জাপান গত ৫০ বছরের মতোই বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকা- অব্যাহত রাখবে। রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপান ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ে তার নীতিতে কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, মুক্ত, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ইন্দো-প্যাসিফিক চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat